ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালি ডটকম লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. রাসেলের বাসায় অভিযান চালাচ্ছে র্যাপিড অ্যাকশান ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। বৃহস্পতিবার বিকালে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের বাসায় এই অভিযান শুরু হয়। এই খবরে ইভ্যালির এমডি রাসেলের বাড়ির সামনে ভিড় করতে শুরু করেছেন গ্রাহকেরাও। পণ্যের পাওয়ার জন্য যে সব টাকা ইভ্যালির কাছে দেওয়া হয়েছে তা কীভাবে পাওয়া যাবে সেই প্রশ্ন করছেন তাঁরা।
একটি বেসরকারী কোম্পানিতে কর্মরত ফখরুল বলেন, গত রোজায় বাইক কেনার জন্য ইভ্যালিকে ১ লাখ সাত হাজার টাকা দেই। সময়মতো পণ্য না দেওয়ায় তাঁরা আমাকে দুই লাখ একটি চেক বুঝিয়ে দেয়, কিন্তু রাসেল গ্রেপ্তার হওয়ায় এই চেকের টাকা পাবো কি-না তা নিয়ে শঙ্কায় পড়েছি। আমার অক্টোবরে টাকা পাওয়ার কথা।
রাসেলের গ্রেপ্তারের খবরে তাঁর মোহাম্মদপুরের বাসার সামনে এসেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী সাইফুদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, বাজাজ কোম্পানির পালসারের দুইট মোটর সাইকেলের জন্য এক লাখ ১২ হাজার টাকা ইভ্যালিকে দিয়েছিলাম। তারা আমাকে তিন লাখ ৪৮ হাজার টাকার একটি চেক বুঝিয়ে দেয়। চেকের মেয়াদ আছে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত। কিন্তু রাসেল গ্রেপ্তার হওয়ায় আমরা টাকা পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছি।
এর আগে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিন ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মদ রাসেলের বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা দায়ের করেন একজন ভুক্তভোগী। আরিফ বাকের নামে ওই ভুক্তভোগী ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গুলশান থানায় মামলাটি করেন তিনি।
মামলায় ইভ্যালির এমডি মোহাম্মদ রাসেলকে এক নম্বর আসামি ও চেয়ারম্যান শামীমাকে দুই নম্বর আসামি করা হয়েছে। এই মামলায় ইভ্যালির আরও বেশ কয়েকজন কর্মকর্তাকে ‘অজ্ঞাতনামা’ দেখিয়ে আসামি করা হয়েছে।