মানিকগঞ্জের হরিরামপুরের চালা ইউনিয়নে যাওয়ার সড়কে বন্যার পানি থাকায় ভোগান্তিতে রয়েছে মানুষ। এদিকে আগামীকাল শনিবার থেকে চালা ইউনিয়নে স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ শুরু হচ্ছে। ফলে কার্ড গ্রহণ করতে যারা যাবেন তাঁদের ভোগান্তি আরও বাড়বে।
স্থানীয়রা জানান, আগামীকাল শনিবার থেকে চালা ইউনিয়নের স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র কার্ড বিতরণ শুরু হবে। এখনো পরিষদ ভবনে যাওয়ার রাস্তায় হাঁটু পানি। এই অবস্থায় স্মার্ট কার্ড গ্রহীতারা পরিষদ ভবনে যেতে কষ্ট হবে। কার্ড গ্রহণের জন্য আসা লোকজনকে পানির মধ্যে লাইনে দাঁড়াতে হবে। অনেক বয়স্ক মানুষ আছেন, নারী আছেন যারা কার্ড গ্রহণের জন্য আসবেন, তাঁদের অবস্থা আরও খারাপ হবে। এ বিষয়ে যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তাঁরা।
চালা ইউনিয়নের বলর্দি এলাকার মুনশী সোহাগ বলেন, পরিষদের সামনে হাঁটু সমান পানি। এমন পরিস্থিতিতে স্মার্ট কার্ড গ্রহীতারা ভবনে কীভাবে যাবেন? কার্ড গ্রহণের জন্য আসা লোকজন কীভাবে লাইনে দাঁড়াবেন এই পানির ভেতর?
আগ্রাইল গ্রামের খন্দকার সাগর হোসেন বলেন, 'ইউনিয়ন পরিষদে সামনের রাস্তার যে অবস্থা এ সময় স্মার্ট কার্ড আনতে যাওয়া সম্ভব না।'
সেবা গ্রহীতাদের নেওয়ার জন্য নৌকার ব্যবস্থা করা হয়েছে জানিয়ে চালা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. শামসুল আলম বিশ্বাস বলেন, 'পরিষদের সামনে পানি থাকায় দিয়াবাড়ি হাইস্কুল ও প্রাইমারি স্কুলে স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ করতে চেয়ে ছিলাম, কিন্তু ব্যবস্থা হয়নি।'
হরিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, 'কার্ড বিতরণ বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা বলে দেখি কী করা যায়। আর ইউনিয়ন পরিষদে যাওয়ার রাস্তা নিচু, পানি কমে গেলে ওই সড়কটি উঁচু করা হবে।'