আদালতের নির্দেশনা না মেনে চিত্রনায়িকা পরীমনিকে দ্বিতীয় ও তৃতীয় দফা রিমান্ডে পাঠানোর ঘটনায় দুই বিচারক হাইকোর্টে আবারও নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছেন। তাঁরা হলেন, ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দেবব্রত বিশ্বাস ও আতিকুল ইসলাম।
আজ রোববার বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি এএসএম আব্দুল মোবিনের বেঞ্চে তাঁদের লিখিত ব্যাখ্যা দাখিল করা হয়। পরে আদালত এ বিষয়ে সিদ্ধান্তের জন্য আগামী ২৫ নভেম্বর দিন ধার্য করে দেন।
এর আগে গত ১৫ সেপ্টেম্বর মাদক মামলায় চিত্রনায়িকা পরীমনিকে দ্বিতীয় ও তৃতীয় দফায় রিমান্ডে নেওয়ার বিষয়ে ক্ষমা প্রার্থনা করা দুই বিচারক ব্যাখ্যা দাখিল করেছিলেন। তবে সেই ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট হতে না পেরে হাইকোর্ট দুই বিচারককে পুনরায় ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দেন।
রোববার আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মো. মিজানুর রহমান। পরীমনির পক্ষে ছিলেন আইনজীবী জেড আই খান পান্না। আর বিচারকদের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী আবদুল আলীম মিয়া জুয়েল।
৪ আগস্ট পরীমনির বনানীর বাসায় অভিযান চালিয়ে পরীমনিকে আটক করা হয়। পরে বনানী থানায় পরীমনির নামে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করে র্যাব। এরপর তিন দফায় পরীমনিকে ৭ দিন রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে সিআইডি। পরে উচ্চ আদালতের রায় না মেনে বারবার নেওয়া রিমান্ড চ্যালেঞ্জ করে ২৯ আগস্ট হাইকোর্টে আবেদন করেন আইন ও সালিস কেন্দ্রের আইনজীবী সৈয়দা নাসরিন।