করোনাকালে চাকরিচ্যুত হন সৌদিপ্রবাসী মুকবুল মিয়া। উপায় না পেয়ে ফিরে আসেন কুমিল্লার তিতাস উপজেলার উত্তর আকালিয়া গ্রামে; শুরু করেন ছাদ বাগান।
দেশে ফিরে ঢাকার গাজীপুর থেকে ত্বীন ফলের চারা সংগ্রহ করেন মকবুল। সেই গাছে কলম করে এখন চারার সংখ্যা ৮ থেকে ১০ টি। তাঁর ত্বীন গাছে ফল ধরতে শুরু করেছে। তাঁর ছাদ বাগানে ত্বীন ছাড়াও বারমাসি আম, সুপার টেন পেয়ারা, বারিফোর টমেটো, বীজহীন বড়ই, মাল্টা, সফেদা, লেবু, এলাচ ও আদা।
মুকবুল মিয়া বলেন, সৌদি আরবে থাকতেই ইউটিউব দেখে ছাদ বাগান করার আগ্রহ হয়। করোনাকালীন সময়ে কোম্পানি আমাকে চাকরিচ্যুত করে। আমি বাড়িতে এসে ছাদবাগান শুরু করি।
ঠিকমতো পরিচর্যা করতে পারলে ছাদ বাগান করে বাণিজ্যিকভাবে আয় করা সম্ভব বলে মনে করেন মকবুল। তবে উপজেলা কৃষি অফিস থেকে তিনি পরামর্শ ছাড়া তেমন কিছু পাননি।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সালাহ উদ্দিন আজকের পত্রিকাকে বলেন, মূলত সবজি চাষিদের সরকার নানা সুযোগ-সুবিধা দিচ্ছে। ছাদ বাগানীদের সহযোগিতা করার সুযোগ আমাদের নেই। তবে ওনারা যদি আসেন তাহলে আমরা বিভিন্ন রোগবালাই মোকাবিলা এবং বাগান পরিচর্যার বিষয়ে পরামর্শ দিয়ে থাকি।