হোম > সারা দেশ > কুমিল্লা

তনু হত্যা মামলা: গ্রেপ্তার সেনাবাহিনীর সাবেক ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুরের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ

 কুমিল্লা প্রতিনিধি 

সোহাগী জাহান তনু। ছবি: সংগৃহীত

বহুল আলোচিত কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী ও নাট্যকর্মী সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলায় গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়েছে। মামলায় গ্রেপ্তার সেনাবাহিনীর সাবেক সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর রহমানের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে এবং তা আগে পাওয়া আলামতের সঙ্গে মিলিয়ে দেখার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মামলার বর্তমান তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) পরিদর্শক মো. তারিকুল ইসলাম। তিনি জানান, হাফিজুর রহমানকে আদালতে হাজির করার আগেই ঢাকায় সিআইডির ফরেনসিক ল্যাবে তাঁর ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়। ইতিমধ্যে নমুনা মিলিয়ে দেখার কাজ শুরু হয়েছে। তবে চূড়ান্ত ফল পেতে কিছুটা সময় লাগবে।

তদন্তসংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই ডিএনএ পরীক্ষার ফলই মামলার তদন্তে নতুন দিক উন্মোচন করতে পারে। কারণ, এত দিন এই মামলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আলামত হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছিল ডিএনএ রিপোর্ট।

এর আগে, ২০১৭ সালের মে মাসে তৎকালীন তদন্ত সংস্থা সিআইডি তনুর পরিহিত পোশাক থেকে সংগৃহীত নমুনা পরীক্ষা করে তিনজন পুরুষের শুক্রাণুর উপস্থিতি শনাক্ত করে। যদিও তখন ডিএনএ প্রোফাইল তৈরি করা হয়েছিল, কিন্তু সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের সঙ্গে তা মিলিয়ে দেখা হয়নি। বর্তমান তদন্তে এবারই প্রথম কোনো সন্দেহভাজনের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে ম্যাচিংয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

গত মঙ্গলবার ঢাকার কেরানীগঞ্জের নিজ বাসা থেকে হাফিজুর রহমানকে আটক করে পিবিআই। পরদিন গতকাল বুধবার (২২ এপ্রিল) তাঁকে তনু হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কুমিল্লার আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করলে শুনানি শেষে আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

বর্তমানে ৫২ বছর বয়সী হাফিজুর রহমান ২০২৩ সালে সেনাবাহিনী থেকে অবসরে যান। তনু হত্যার সময় তিনি কুমিল্লা সেনানিবাসে কর্মরত ছিলেন বলে জানা গেছে। আদালতের নির্দেশনায় তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তা।

এর আগে চলতি বছরের ৬ এপ্রিল মামলার অগ্রগতি জানাতে আদালতে হাজির হন তদন্ত কর্মকর্তা তারিকুল ইসলাম। এ সময় তিনি হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে তিনজনের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ ও মিলিয়ে দেখার অনুমতি চান। আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করেন। সন্দেহভাজন অন্য দুজন হলেন ঘটনার সময় কুমিল্লা সেনানিবাসে কর্মরত সার্জেন্ট জাহিদ ও সৈনিক শাহিনুল আলম, যাঁরা বর্তমানে অবসরপ্রাপ্ত।

২০১৬ সালের ২০ মার্চ সন্ধ্যায় কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকায় টিউশনি করতে গিয়ে নিখোঁজ হন তনু। পরে সেনানিবাসের পাওয়ার হাউসের কাছে ঝোপঝাড় থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয়, তাঁকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। পরদিন তাঁর বাবা ইয়ার হোসেন কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন।

তদন্ত কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ডিএনএ রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ ও তদন্তের দিকনির্দেশনা নির্ধারণ করা হবে।

মাদকাসক্ত ছেলেকে ধরিয়ে দিলেন বাবা

দেবিদ্বারে ক্লাস চলাকালে বৈদ্যুতিক ফ্যানসহ খসে পড়ল ছাদের পলেস্তারা

তনু হত্যা মামলা: ১০ বছর পর ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর গ্রেপ্তার

কুমিল্লায় কাভার্ড ভ্যানের চাপায় যুবক নিহত

কুমিল্লার লাকসামে স্কুলছাত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

কুমিল্লায় র‍্যাবের অভিযানে গাঁজাসহ ৪ ব্যক্তি গ্রেপ্তার

ব্রাহ্মণপাড়ায় মাদক সেবনের দায়ে চারজনের কারাদণ্ড

স্কুলশিক্ষার্থীদের সঙ্গে বসে ক্লাস করলেন এমপি

ধর্ষণের বিচার দাবিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ-সড়ক অবরোধ

চৌদ্দগ্রামে শিক্ষকের হাতে শিক্ষক লাঞ্ছিতের ঘটনায় মামলা