হোম > সারা দেশ > কক্সবাজার

টেকনাফে জালে উঠল ১১২ মণ নাগু মাছ, ২০ লাখ ২৫ হাজার টাকায় বিক্রি

টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি 

টেকনাফে সেন্ট মার্টিন-সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে এক মাঝির জালে ধরা পড়েছে ৪২৪টি নাগু মাছ। ছবি: আজকের পত্রিকা

কক্সবাজারের টেকনাফে সেন্ট মার্টিন-সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে এক মাঝির জালে ধরা পড়েছে ৪২৪টি নাগু মাছ। মাছগুলোর ওজন প্রায় ৪ হাজার ৫০০ কেজি বা ১১২ মণ। এসব মাছ ২০ লাখ ২৫ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়েছে।

ট্রলারের মালিক সালেহ আহমদ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, তাঁর মালিকানাধীন ট্রলারটি গত ২৭ জানুয়ারি সকাল ৮টার দিকে টেকনাফ পৌরসভার কায়ুকখালী নৌকাঘাট থেকে ২২ জন মাঝিমাল্লা নিয়ে সাগরে মাছ শিকারে যায়। গতকাল (৩১ জানুয়ারি) বেলা ২টার দিকে ট্রলারের মাঝি রহমত উল্লাহ ফোনে বিপুল পরিমাণ মাছ ধরা পড়ার খবর দেন। পরে রাত ৮টার দিকে মাছভর্তি ট্রলারটি কায়ুকখালী নৌকাঘাট এলাকার একটি ফিশারিতে এসে নোঙর করে। সেখানেই মাছগুলো সংরক্ষণ করা হয়।

সালেহ আহমদ আরও জানান, পরে ব্যবসায়ীরা প্রতি কেজি ৪৫০ টাকা দরে মোট ২০ লাখ ২৫ হাজার টাকায় মাছগুলো কিনে নেন।

ট্রলারের মাঝি রহমত উল্লাহ বলেন, ‘সাগরে একটি বিশাল মাছের ঝাঁক দেখে দ্রুত সেখানে জাল ফেলি। অল্প সময়েই বিপুল পরিমাণ নাগু মাছ ধরা পড়ে। এতে আমরা সবাই খুব খুশি।’

মাছ ব্যবসায়ী সৈয়দ আলম জানান, মাছগুলো টেকনাফের বাজারে পাইকারি ও খুচরা বিক্রি শুরু হয়েছে। প্রতি কেজি মাছ ৪৮০ থেকে ৫০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এসব মাছ চট্টগ্রাম ও ঢাকায় পাঠানো হবে। তিনি জানান, প্রতিটি মাছের ওজন ৮ থেকে ২০ কেজি পর্যন্ত। ঢাকায় এসব মাছ ‘গোপা মাছ’ নামে পরিচিত।

এদিকে জেলেদের জালে এত বেশি পরিমাণ মাছ ধরা পড়ার খবরে ফিশারিতে মানুষ ভিড় করছেন। স্বাদে সুস্বাদু হওয়ায় ক্রেতাদের আগ্রহও দেখা যাচ্ছে।

আদি রূপে ফিরছে কক্সবাজার সৈকত

কক্সবাজার সৈকতে গোসল করছিলেন তিন বন্ধু, ঢেউয়ের তোড়ে একজনের মৃত্যু

চকরিয়ায় বাসের ধাক্কায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

কক্সবাজার সৈকতে ছুরিকাঘাতে জুলাই যোদ্ধা নিহত, পুলিশি হেফাজতে তরুণী

চকরিয়ায় দায়িত্বরত পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যু

কক্সবাজারে ভরপুর পর্যটক, হোটেল-মোটেলে ঠাঁই নেই

টেকনাফের নাফ নদী থেকে ৭ জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে আরকান আর্মি

নারীসহ দুই পরিবারের ৪ জনের ‘ডাকাতির প্রস্তুতি’, বন্দুক–মাইক্রোবাসসহ গ্রেপ্তার

টেকনাফে বিজিবির অভিযানে পিস্তল-গুলি, ‘আইস’সহ অটোচালক আটক

ঈদের ছুটি: পর্যটকদের বরণে প্রস্তুত কক্সবাজার