বঙ্গোপসাগরের কক্সবাজার উপকূলে কোস্ট গার্ড পৃথক তিনটি অভিযানে জলদস্যু ‘পারভেজ বাহিনী’র ১০ সদস্য এবং ৮ চোরাকারবারিকে আটক করা করেছে। এ সময় দস্যুদের কাছে জিম্মি থাকা তিন জেলে এবং গভীর সমুদ্রে ভাসমান ৯ বাংলাদেশি নাগরিককে উদ্ধার করা হয়েছে।
আজ শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে কোস্ট গার্ড কক্সবাজার স্টেশনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান লেফটেন্যান্ট কমান্ডার আরাফাত হোসেন।
আরাফাত জানান, শুক্রবার (১০ এপ্রিল) রাত ৯টার দিকে কোস্ট গার্ড স্টেশন কক্সবাজারের একটি আভিযানিক দল কলাতলী বিচ-সংলগ্ন সমুদ্রে অভিযান চালায়। এ সময় একটি সন্দেহভাজন ফিশিং ট্রলার পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে ধাওয়া করে সেটিকে আটক করা হয়। ট্রলারটি তল্লাশি করে দুটি দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, দুটি তাজা কার্তুজ ও দেশীয় অস্ত্রসহ ডাকাত পারভেজ বাহিনীর ১০ সক্রিয় সদস্যকে আটক করা হয়। এ সময় বোটসহ জিম্মি থাকা তিন জেলেকে উদ্ধার করে কোস্ট গার্ড। আটক জলদস্যুদের বাড়ি কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার সোনারপাড়ায়।
এদিকে শুক্রবার দিবাগত রাত ১২টা ও ৩টার দিকে চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজারের বাঁকখালী নদীর মোহনায় পৃথক দুটি অভিযান চালানো হয়। শুল্ক ফাঁকি দিয়ে মিয়ানমারে পাচারের সময় ৫ হাজার লিটার ডিজেল, লুব্রিকেন্ট ও গ্যাস সিলিন্ডারসহ পাঁচ পাচারকারীকে আটক করা হয়। এ ছাড়াও ৪৫০ বস্তা সিমেন্টসহ আরও তিন পাচারকারীকে আটক করা হয়েছে। জব্দ মালামালের আনুমানিক মূল্য প্রায় ১০ লাখ টাকা।
লেফটেন্যান্ট কমান্ডার আরাফাত হোসেন জানান, আটক ডাকাত, পাচারকারী এবং উদ্ধার করা মালামাল ও ব্যক্তিদের বিষয়ে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।