ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এক গৃহবধূর লাশ বাথরুম থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। আজ শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে পৌরসভার পুনিয়াউট (হাসিনাবাগ) এলাকার ভাড়া বাসার বাথরুম থেকে লাশটি উদ্ধার করে পুলিশ। স্বজনদের অভিযোগ, মাদকের টাকা না পেয়ে স্ত্রীকে হত্যার পর পালিয়েছেন স্বামী।
নিহত গৃহবধূর নাম তানিয়া বেগম (৩৬)। তিনি জেলার নাসিরনগর উপজেলার চাতলপাড় ইউনিয়নের কাঁঠালকান্দি গ্রামের রফিকুল ইসলাম ছোটন মিয়ার মেয়ে।
অভিযুক্ত স্বামীর নাম ফারুক (৩৪)। ঘটনার পর থেকেই তিনি পলাতক রয়েছেন।
ফারুক জেলার কসবা উপজেলার খাড়েরা গ্রামের শাহ আলম মিয়ার ছেলে। ২০২৩ সালের ১০ জানুয়ারি ফারুকের সঙ্গে তানিয়ার বিয়ে হয়। এটা তাঁদের দ্বিতীয় বিয়ে ছিল। তানিয়ার আগের সংসারে দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।
গৃহবধূর স্বজনদের বরাতে পুলিশ জানায়, বিয়ের পর থেকেই তাঁরা পৌরসভার পুনিয়াউট এলাকার একটি বাসায় ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস শুরু করেন। ফারুক মাদকসেবী। তানিয়া বিভিন্ন বাসাবাড়িতে গৃহপরিচারিকার কাজ করতেন। মাদকের টাকার জন্য ফারুক প্রায়ই স্ত্রীকে মারধরসহ ঘরের জিনিসপত্র ভাঙচুর করতেন। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে মাদকের টাকার জন্য তানিয়াকে মারধর করেন। পরে শুক্রবার ভোরে তানিয়ার গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করে বাথরুমে লাশ ফেলে বাড়ি থেকে পালিয়ে যান ফারুক। খবর পেয়ে সকাল ১০টার দিকে পুলিশ তানিয়ার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
এ বিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসলাম হোসেন বলেন, ‘আমরা ফারুককে গ্রেপ্তারের জন্য চেষ্টা করছি। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।’