চট্টগ্রাম বন্দরের ইয়ার্ড থেকে গার্মেন্টসের কাপড়ভর্তি একটি কনটেইনার উধাও হওয়ার ঘটনায় বন্দরের দুই কর্মচারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বুধবার (২০ মে) রাতে নগরের বন্দর এলাকা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করে বন্দর থানা-পুলিশ।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন চট্টগ্রাম বন্দরের উচ্চমান বহিঃসহকারী হিসেবে কর্মরত পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার উলুবাড়িয়া গ্রামের মিজানুর রহমান (৩৫) এবং বন্দরের কর্মচারী নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার আবু সুফিয়ান (৪০)।
পুলিশ জানায়, চীন থেকে আমদানি করা গার্মেন্টসের কাপড়ভর্তি একটি ৪০ ফুট কনটেইনার গত বছরের ৪ আগস্ট থেকে চলতি বছরের ২ এপ্রিলের মধ্যে কোনো এক সময় বন্দরের জে আর ইয়ার্ড থেকে সরিয়ে ফেলা হয়।
কনটেইনারটির নম্বর টিসিএলইউ-৮৫৫৭৩০৪। এতে কয়েক কোটি টাকার কাপড় ছিল বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান।
গাজীপুরের মোয়াজউদ্দিন টেক্সটাইল লিমিটেড কনটেইনারটি আমদানি করে। পরে জাহাজ থেকে খালাস করে সেটি বন্দরের ইয়ার্ডে রাখা হয়।
পরে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট এস জামান অ্যান্ড ব্রাদার্স (প্রা.) লিমিটেড শুল্ক-কর পরিশোধ শেষে কনটেইনারটি খালাস নিতে গেলে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। এই ঘটনায় বন্দর থানায় মামলা করা হয়।
বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবদুর রহিম আজকের পত্রিকাকে বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরের ইয়ার্ড থেকে কনটেইনার উধাও হয়ে যাওয়ার মামলায় বন্দরের দুই কর্মচারীর সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া যায়। বুধবার রাতে বন্দর এলাকা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। ঘটনার সঙ্গে বন্দরের আর কেউ জড়িত আছেন কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আজ বৃহস্পতিবার তাঁদের কোর্টে প্রেরণ করা হবে এবং রিমান্ড চাওয়া হবে বলে জানান ওসি।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের ভারপ্রাপ্ত সচিব নাসির উদ্দিন বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরের ইয়ার্ড থেকে কনটেইনার উধাও হয়ে যাওয়ার মামলায় বন্দরের দুই কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে এবং তাঁদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।