হোম > সারা দেশ > কক্সবাজার

ট্রলারে পাওয়া গলিত ১০ লাশের হাত-পা বাঁধা ছিল: ফায়ার সার্ভিস

কক্সবাজার প্রতিনিধি

কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে ভেসে আসা একটি ট্রলার থেকে উদ্ধার করা ১০টি মরদেহের হাত-পা বাঁধা ছিল। এটা নিছক কোনো দুর্ঘটনা নয় বলে জানিয়েছেন ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক (কক্সবাজার) অতীশ চাকমা। 

আজ রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ট্রলারে মরদেহের খবর পায় স্থানীয় পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার শেষ করে বেলা ৪টার দিকে আজকের পত্রিকাকে এসব তথ্য জানান ফায়ার সার্ভিসের এই কর্মকর্তা। 

অতীশ চাকমা বলেন, ‘ট্রলারটি থেকে উদ্ধার করা ১০ মরদেহের হাত-পা বাঁধা ছিল। আমরা ধারণা করছি, ৮ থেকে ১০ দিন আগে তাঁদের হত্যা করা হয়েছে। এটি নিছক দুর্ঘটনা নয়।’

মরদেহগুলো গলিত থাকায় পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি জানিয়ে এই কর্মকর্তা বলেন, ‘মরদেহগুলো কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।’

কক্সবাজার সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাকারিয়া আজকের পত্রিকাকে জানান, স্থানীয় জেলেরা বঙ্গোপসাগরের গভীরে ফিশিং ট্রলারটি ভাসতে দেখে তীরে নিয়ে আসে। আনার পর ট্রলারের ভেতরে মরদেহ দেখে পুলিশকে খবর দেয় তারা। বিকেল ৪ টা পর্যন্ত ১০ টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। 

কক্সবাজার সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম বলেন, ট্রলারের ভেতরে থাকা মরদেহ পচে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। সব মরদেহ ফিশিং ট্রলারের হিমঘরের ভেতরে ছিল। কারও পরিচয় এখনও শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।

মেরিন একাডেমি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের মিলনমেলা

চট্টগ্রামে নালা থেকে বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার

সড়ক থেকে উদ্ধার সেই শিশু দাদির জিম্মায়, বাবা কারাগারে

চট্টগ্রামে ছুরিকাঘাতে পুলিশ সদস্য হত্যা মামলায় ১০ জনের যাবজ্জীবন

মিয়ানমার সীমান্তে গোলাগুলি: টেকনাফের গুলিবিদ্ধ শিশুটি লাইফ সাপোর্টে

ফেনী হাসপাতালে অপারেশন থিয়েটারে রান্না করার ঘটনায় দুই নার্স বরখাস্ত

নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাস ঢুকল ফলের দোকানে

চট্টগ্রামে পোর্ট কলোনিতে মোটরসাইকেলচালকের ছুরিকাহত মরদেহ, পুলিশ বলছে হামলা অন্য এলাকায়

ব্যাংক থেকে টাকা তুলে বের হতেই ছোঁ মেরে নিয়ে গেল ছিনতাইকারী

ওমানে সড়ক দুর্ঘটনায় ফটিকছড়ির এক পরিবারের তিনজন নিহত