রাষ্ট্রীয় উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন কমিটি গঠন করে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) অডিও কেলেঙ্কারি তদন্তের দাবি জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতি। সংগঠনটির সভাপতি অধ্যাপক ড. সেলিনা আখতার ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. সজীব কুমার ঘোষ স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে আজ রোববার বিকেলে এই দাবি জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, চবির ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগে শিক্ষক নিয়োগে আর্থিক লেনদেন হয়েছে মর্মে অডিও ক্লিপসহ কিছু সংবাদ বাংলাদেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। এই ঘটনায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি গভীরভাবে মর্মাহত ও উদ্বিগ্ন। বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকসহ অন্যান্য নিয়োগে আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ শিক্ষক সমাজ ও অত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তিকে মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন করেছে।
এ ছাড়া বিবৃতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি অক্ষুণ্ন রাখার স্বার্থে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কর্তৃক যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানায় সংগঠনটি। এর পাশাপাশি প্রয়োজনে রাষ্ট্রীয় উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন তদন্ত কমিটি গঠনের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটন করে দায়ী ব্যক্তিদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার জন্য চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি দাবি জানায়।
এর আগে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগে প্রভাষক নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগের পর, অর্থ লেনদেন সংক্রান্ত পাঁচটি ফোনালাপ ফাঁস হয়। এর মধ্যে একটি ফোনালাপে প্রভাষক পদের এক প্রার্থীর সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের পিএসের অর্থ লেনদেনের বিষয়ে ইঙ্গিতপূর্ণ কথা বলতে শোনা যায়। অপর একটিতে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর শীর্ষ ব্যক্তিদের ‘ম্যানেজ’ করতে উপাচার্যের টাকার প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের এক কর্মচারী।
এ ঘটনায় উপাচার্যের পিএসকে অপসারণ করে আগের কর্মস্থলে ফেরত পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।