চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের ৭২ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। গতকাল শনিবার রাতে ফৌজদারহাট পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) ধনতোষ চাকমা বাদী হয়ে সীতাকুণ্ড থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় সুনির্দিষ্ট ৩৭ জনের নাম উল্লেখের পাশাপাশি ৩৫ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগ, যুবলীগ, আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা ও অজ্ঞাতনামা আসামিরা রাষ্ট্র ও সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করার মানসে, জনসাধারণের ক্ষতিসাধনের লক্ষ্যে এবং নাশকতা সৃষ্টির লক্ষ্যে স্লোগান দিয়ে শুক্রবার বিকেলে সলিমপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ সলিমপুর ডিসি পার্কের সামনে বন্দরগামী পাকা রাস্তার ওপর ঝটিকা মিছিল করে। মিছিল-পরবর্তী সময়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে বিস্ফোরিত ককটেলের অংশবিশেষ ও কার্তুজের খোসা উদ্ধার করেন। এ সময় মিছিলে জড়িত থাকার দায়ে ঘটনাস্থল থেকে সৈয়দ আশরাফ, সাইফুদ্দিন শিকদার পারভেজ ও আশরাফুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলায় অন্য অভিযুক্ত ব্যক্তিরা হলেন মো. হামিদ, মো. সোহেল, মো. হাসান, মো. রাফি, মো. রাসেল, মো. তৌহিদুল ইসলাম, মো. এরশাদ, ফারুক ওরফে কাঁচি ফারুক, মো. সোহেল মেম্বার, শহিদুল ইসলাম, কাজী বাবুল খান, কাজী মো. রকি, জহির উদ্দিন, শাখাওয়াত হোসেন সাগর, মো. শাওন, মো. টিটু, মো. দিপু, সালাউদ্দিন, আজম, মুন্না, রবিউল হোসেন ওরফে শাকিল, মো. সাদ্দাম, আমজাদ হোসেন, আজাদ, বাবলু হোসেন, হাবিবুর রহমান তুষার, আবির হোসেন জেকি, আব্দুল আলীম, ইরান, রিমন, আশরাফ, সাইদুল ইসলাম ওরফে ইসলাম, দিদারুল আলম মেম্বার ও মো. হাসান।
সীতাকুণ্ড মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আলমগীর মামলা দায়েরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, পুলিশ বাদী হয়ে দায়ের করা মামলায় তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।