চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে টানা দুই দিনের অভিযানে সিলিন্ডার কাটার তিন মূল হোতাসহ ৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৭। অভিযানকালে ১০ হাজার অবৈধ এলপিজি সিলিন্ডার জব্দ করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকালে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন র্যাব-৭-এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) মো. নুরুল আবছার।
অভিযানে গ্রেপ্তার হওয়া তিন মূল হোতা হলেন হাজি শফিউর রহমানের ছেলে মো. ইসমাইল হোসেন ওরফে কুসুম (৫১), ফয়েজ আহম্মদের ছেলে মো. মহসীন (৫১) ও ছিদ্দিক আহম্মেদের ছেলে মো. নুরন নবী (৪৮)। সংবাদ সম্মেলনে গ্যাস সিলিন্ডার কাটার তিন মূল হোতার নাম প্রকাশ করলেও বাকিদের নাম-পরিচয় জানায়নি র্যাব।
র্যাব কর্মকর্তা নুরুল আবছার জানান, গত ৪ জুন বিএম ডিপোর অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পর বিভিন্ন মাধ্যমে জানতে পারি, একটি সিন্ডিকেট দীর্ঘদিন ধরে সীতাকুণ্ডের তুলাতলীর জনবহুল গ্রামে অবৈধ চোরাই এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার সংগ্রহ করে। পরে এসব গ্যাস সিলিন্ডার কেটে টুকরো করে তা বিভিন্ন রি-রোলিং মিলে বিক্রি করে আসছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল বুধবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত টানা দুই দিন অভিযান চালিয়ে অবৈধ গ্যাস সিলিন্ডার কাটা সিন্ডিকেটের তিন মূল হোতাসহ ৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাঁদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী তাদের তত্ত্বাবধানে থাকা কুসুমের ডিপো, ফকিরা মসজিদের উত্তর পাশের এলাকা থেকে প্রায় ১০ হাজার এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার (যার মধ্যে ২ হাজার কাটা সিলিন্ডার) ও দুটি ট্রাক জব্দ করা হয়।
নুরুল আবছার জানান, অভিযানে মূল হোতাসহ গ্রেপ্তার ৯ জনকে মামলা দায়েরের পর সীতাকুণ্ড থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
সীতাকুণ্ড থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সুমন বণিক আজকের পত্রিকাকে বলেন, অবৈধ এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার জব্দ ও মূল হোতাসহ ৯ জন গ্রেপ্তারের ঘটনায় র্যাব-৭ বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছে। মামলার পর আসামিদের জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।