হোম > সারা দেশ > চট্টগ্রাম

খুনের পর যুবকের লাশ নিয়ে পালাচ্ছিলেন ছোট ভাই ও তাঁর স্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

যুবককে খুনের ঘটনায় আটক দুজন। ছবি: আজকের পত্রিকা

চট্টগ্রাম নগরের চান্দগাঁওয়ে এক যুবককে ছোট ভাই ও ভাইয়ের স্ত্রী মিলে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে খুন করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরে লাশ নিয়ে পালানোর সময় তাঁরা পুলিশের হাতে ধরা পড়েছেন।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ছোট ভাই ও তাঁর স্ত্রী ইয়াবায় আসক্ত। ইয়াবা সেবনসহ পারিবারিক বিষয় নিয়ে ঝগড়ার জেরে তাঁরা ছক কষে ঘুমন্ত বড় ভাইকে খুন করেছেন। গতকাল বুধবার গভীর রাতে নগরের চান্দগাঁও আবাসিক এলাকার বি-ব্লকের ২ নম্বর সড়কের একটি বাসায় হত্যাকাণ্ডের এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মো. সাহেদ (৩৫) রাউজান উপজেলার নোয়াপাড়া গ্রামের হাজি মীর হোসেন সওদাগর বাড়ির মৃত জালাল আহমেদের ছেলে। এ ঘটনায় পুলিশ সাহেদের ছোট ভাই মো. জাহেদ (২৭) ও তাঁর স্ত্রী তাসমিন বিনতে আসলাম ওহিকে (২৬) আটক করেছে। বর্তমানে তাঁদের থানাহাজতে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চান্দগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আফতাব উদ্দিন।

ওসি জানান, সাহেদ ও জাহেদ সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে থাকতেন। বছরখানেকের ব্যবধানে উভয়ে দেশে ফিরে এসে বেকার অবস্থায় ছিলেন। তাঁদের বাবা মারা গেছেন। আরেক ভাই মা ও তাঁর পরিবার নিয়ে দুবাইয়ে থাকেন। চান্দগাঁও আবাসিক এলাকায় একই বাসায় সাহেদ, জাহেদ ও তাঁর স্ত্রী থাকতেন। সাহেদের সঙ্গে তাঁর স্ত্রীর কয়েক মাস আগে বিচ্ছেদ হয়েছে।

গতকাল রাত দেড়টার দিকে অ্যাম্বুলেন্সের এক চালকের কল পেয়ে চান্দগাঁও থানার পুলিশের একটি দল অভিযানে নামে। পুলিশ নগরীর কাপ্তাই রাস্তার মাথার কাছাকাছি এলাকায় অ্যাম্বুলেন্সটি আটক করতে সক্ষম হয়। সেখানে তল্লাশি চালিয়ে সাহেদের রক্তাক্ত লাশ এবং জাহেদ ও তাঁর স্ত্রী তাসমিনকে পাওয়া যায় বলে জানান ওসি।

পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ওসি জানান, জাহেদ ও তাসমিন রাতভর ইয়াবা সেবন এবং সারা দিন ঘুমাতেন। ইয়াবা আসক্তি ও পারিবারিক বিভিন্ন বিষয়ে তাঁদের সঙ্গে সাহেদের মনোমালিন্য চলছিল। গতকাল সন্ধ্যার পর বাসায় তিনজন ঝগড়া করেন। জাহেদ ও তাঁর স্ত্রী মিলে বাসার আসবাবও ভাঙচুর করেন। ঝগড়া শেষে সাহেদ নিজ কক্ষে গিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। গভীর রাতে ওই কক্ষে ঢুকে জাহেদ ও তাঁর স্ত্রী ঘুমন্ত সাহেদকে চাকু দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করে খুন করেন।

চান্দগাঁও থানার পুলিশ জানায়, সাহেদকে খুন করার পর জাহেদ গিয়ে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা ডেকে আনেন। তাঁরা রিকশায় লাশ তুলে আবাসিক এলাকা থেকে বের হয়ে আসেন। এরপর একটি অ্যাম্বুলেন্স পেয়ে সেখানে লাশ তুলে গ্রামের বাড়ি রাউজানের নোয়াপাড়ার দিকে রওনা দেন। ঘটনাটি হত্যাকাণ্ড আঁচ করতে পেরে অ্যাম্বুলেন্সের চালক কৌশলে বিষয়টি থানায় অবহিত করেন। এরপর চান্দগাঁও আবাসিক এলাকা থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার দূরে অ্যাম্বুলেন্সটি আটকাতে সক্ষম হয় পুলিশ।

ওসি আফতাব বলেন, সাহেদের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। আটক দুজনকে থানায় রাখা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। রাতেই মামলা হবে।

মিয়ানমার সীমান্তে গোলাগুলি: টেকনাফের গুলিবিদ্ধ শিশুটি লাইফ সাপোর্টে

ফেনী হাসপাতালে অপারেশন থিয়েটারে রান্না করার ঘটনায় দুই নার্স বরখাস্ত

নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাস ঢুকল ফলের দোকানে

চট্টগ্রামে পোর্ট কলোনিতে মোটরসাইকেলচালকের ছুরিকাহত মরদেহ, পুলিশ বলছে হামলা অন্য এলাকায়

ব্যাংক থেকে টাকা তুলে বের হতেই ছোঁ মেরে নিয়ে গেল ছিনতাইকারী

ওমানে সড়ক দুর্ঘটনায় ফটিকছড়ির এক পরিবারের তিনজন নিহত

ফটিকছড়িতে গুলিতে নিহত ১

মিরসরাইয়ে পুলিশ পরিচয়ে পোলট্রি ফার্মে ঢুকে ডাকাতি, মোটরসাইকেলসহ মালপত্র লুট

শিক্ষককে হেনস্তার পর টেনেহিঁচড়ে প্রক্টর অফিসে নিয়ে গেলেন চাকসুর শিবির নেতারা

প্রভাবশালী ব্যবসায়ী থেকে ঋণখেলাপি, ৫০ বছরের বন্ধুত্বে ফাটল