হোম > সারা দেশ > চট্টগ্রাম

উপজেলা পর্যায়েও রাজস্ব আহরণ করা যেতে পারে: এফবিসিসিআই সভাপতি

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

যারা আয়কর দিচ্ছে শুধু তাদের ওপর করের বোঝা না চাপিয়ে করের আওতা বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন ‘দ্য ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি’-এর (এফবিসিসিআই) সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন। আজ সোমবার নগরীর ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের বঙ্গবন্ধু কনফারেন্স হলে আয়োজিত এক সভায় তিনি এসব কথা বলেন। জসিম উদ্দিনকে সংবর্ধনা দিতে চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। 

অনুষ্ঠানে জসিম উদ্দিন বলেন, ‘গ্রামীণ অর্থনীতি বর্তমানে অনেক শক্তিশালী। তাই উপজেলা পর্যায়েও রাজস্ব আহরণ করা যেতে পারে। বর্তমানে যারা আয়কর দিচ্ছে শুধু তাদের ওপর না চাপিয়ে করের আওতা বাড়ানো দরকার।’ 

এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি বলেন, বিগত দুই বছর করোনা চলাকালীন এবং বর্তমান রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে চাহিদা ও পণ্যের দাম বৃদ্ধি, সম্পূর্ণ সাপ্লাই চেইন এবং ক্যাপাসিটি কমে গেছে মন্তব্য করে সরকারের নীতিনির্ধারণের চাহিদা ও জোগানের মধ্যে সুষ্ঠু সমন্বয় সাধনপূর্বক বাস্তবভিত্তিক পরিকল্পনাসমূহ গ্রহণ করা উচিত। চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা আরও বৃদ্ধি পেলে দেশের রপ্তানি প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতাও বৃদ্ধি পেত। শুধু উন্নয়ন নয়, টেকসই উন্নয়নের জন্য সবার একসঙ্গে কাজ করা প্রয়োজন। 

চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলমের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন চেম্বার সহসভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ তানভীর, পরিচালক এ কে এম আক্তার হোসেন ও মো. রকিবুর রহমান (টুটুল), চেম্বারের সাবেক সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার আলী আহমেদ, সাবেক পরিচালক মাহফুজুল হক শাহ ও এস এম আবু তৈয়ব, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি খলিলুর রহমান, চট্টগ্রাম উইমেন চেম্বার সভাপতি মনোয়ারা হাকিম আলী, বিজিএমইএর প্রথম সহসভাপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম, বিএসআরএম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আমীর আলী হুসেইন, বি এস এম গ্রুপের চেয়ারম্যান আবুল বশর চৌধুরী ও জিপিএইচ ইস্পাতের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলমাস শিমুল। 

চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলম বলেন, করোনা মহামারিতে সরকার প্রদত্ত প্রণোদনা প্যাকেজের সুবিধা যাতে এসএমই খাত পায় সেই লক্ষ্যে এফবিসিসিআই সভাপতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন এবং ব্যবসায়ীদের সুবিধা ও অসুবিধা অনুধাবনপূর্বক সরকারের সঙ্গে নীতিমালা প্রণয়নের ক্ষেত্রে কাজ করে থাকেন। প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামকে সত্যিকার অর্থে বাণিজ্যিক রাজধানী করার ঘোষণা দিয়েছেন। তাই চট্টগ্রামকে ঘিরে যেসব মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন হচ্ছে তা সময়মতো সম্পন্ন করা হলে আগামী ৫-১০ বছরের মধ্যে এই অঞ্চলে যুগান্তরকারী পরিবর্তন হবে, যা এসডিজি অর্জন ও ২০৪১ সালের মধ্যে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে সহায়ক হবে। তবে এ ক্ষেত্রে চট্টগ্রাম সরকারের দপ্তরসমূহের আরও বেশি ক্ষমতায়ন প্রয়োজন। বেশির ভাগ চেম্বারেরই আর্থিক সংগতি নেই। তাই চেম্বারসমূহকে করের আওতামুক্ত রাখা উচিত। 

নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রায় ৯ লাখ সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

টেকনাফে গুলিবিদ্ধ শিশু আফনান ও মাইন বিস্ফোরণে আহত হানিফের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা

খাগড়াছড়িতে জামায়াতের এমপি প্রার্থীর বাসার সামনে ককটেল বিস্ফোরণের অভিযোগ

‘জীবন দিয়ে হলেও সীমান্ত রক্ষা করব’— বিজিবিতে নিয়োগ পেয়ে ফেলানীর ভাই

বিজিবির সদস্যরা কোনো স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীর রক্ষক নয়: শপথ অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

চট্টগ্রামে বিরোধপূর্ণ জমি: ১ বছর নিয়ে ২০ বছর ইজারা

ছেঁড়াদিয়া দ্বীপ: বেপরোয়া পর্যটক সামলাতে হিমশিম অবস্থা কর্তৃপক্ষের

বউভাতে যাওয়ার পথে মাইক্রোবাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে কনের নানি নিহত

৯ জুলাই যোদ্ধা চাকরি পেলেন চট্টগ্রাম বন্দরে

১০ বছর পর দম্পতির কোলজুড়ে একসঙ্গে পাঁচ সন্তান