এক শ কিংবা দু শ লিটার নয়, এক হাজার ৫০ লিটার সয়াবিন তেল মজুত করে রাখা হয়েছিল মেসার্স খাজা স্টোর নামের দোকানের গুদামে। মূলত বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরিতেই এই কারসাজি। তবে শেষ রক্ষা হয়নি। গতকাল রোববার নগরীর চৌমুহনীতে অবস্থিত সিডিএ কর্ণফুলী মার্কেটে অবস্থিত ওই গুদামে অভিযান চালিয়ে তেলগুলো জব্দ করেছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। পরে ওই দোকানিকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করে তেলগুলো আশপাশের দোকানে বিক্রির ব্যবস্থা করা হয়।
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. আনিছুর রহমানের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
মো. আনিছুর রহমান বলেন, ‘সয়াবিন তেলের কেন সংকট তৈরি হয়েছে সেটি যাচাই করতে আমরা বহদ্দারহাট ও চৌমুহনী এলাকায় অভিযান চালাই। বহদ্দারহাটে তেলের ডিলাররা কারসাজি করছেন–এমন কোনো অভিযোগ পাইনি। তবে চৌমুহনী এলাকার কর্ণফুলী মার্কেটের ভোজ্যতেলের দোকানগুলোতে অভিযান চালানোর সময় মেসার্স খাজা স্টোরের গোডাউনে আমরা ১ হাজার ৫০ লিটারের বেশি মজুত করা তেলের সন্ধান পাই। আমরা তেলগুলো জব্দ করে তাৎক্ষণিক আশপাশের দোকানে বিক্রির ব্যবস্থা করেছি।’
তেল মজুত করার অপরাধে খাজা স্টোরের মালিকের কাছ থেকে ভোক্তা অধিকার আইনে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে বলে জানান আনিছুর রহমান।