দুই বছর আগে সীতাকুণ্ডের কুমিরা থেকে বাসে বাড়ি ফেরার সময় সেলফোনটি হারিয়ে ফেলেন সাংবাদিক কামরুল ইসলাম দুলু। এরপর তিনি সীতাকুণ্ড থানায় অভিযোগ করলেও কোনো সন্ধান পাননি। দীর্ঘদিন অপেক্ষার পর ফোনটি পাওয়ার আশাই ছেড়ে দিয়েছিলেন তিনি।
গতকাল রোববার দুপুরে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) উপপরিদর্শক (এসআই) শাহাদাত হোসেনের পরামর্শে পিবিআই পুলিশ সুপার বরাবর আবার অভিযোগ দেন কামরুল ইসলাম। অভিযোগ দেওয়ার ১২ ঘণ্টার মধ্যে হারিয়ে যাওয়া সেলফোনটি উদ্ধার করেন পিবিআই উপপরিদর্শক (এসআই) শাহাদাত হোসেন। গতকাল রাতেই ফোনটি কামরুল ইসলামের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
সাংবাদিক কামরুল ইসলাম দুলু বলেন, ‘২০২০ সালের ২১ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় ব্যক্তিগত কাজ শেষে বাসযোগে সীতাকুণ্ডের কুমিরা থেকে বারআউলিয়া ফেরার পথে স্মার্টফোনটি হারিয়ে ফেলি। এরপর সীতাকুণ্ড থানায় অভিযোগ করি। সীতাকুণ্ড থানার তৎকালীন উপপরিদর্শক (এসআই) মামুন তদন্তকাজ চালালেও কিছুদিন পর থমকে যায়। থানায় একাধিকবার যোগাযোগের পরও ফোনটি উদ্ধার না হওয়ায় অনেকটা আশা ছেড়ে দিয়েছিলাম।’
গতকাল দুপুরে পিবিআই চট্টগ্রাম জেলার পুলিশ সুপার নাজমুল হাসান বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগের ১২ ঘণ্টা পর তাঁরা ফোনটি উদ্ধার করে তাঁর কাছে ফিরিয়ে দিয়েছেন।
পিবিআই উপপরিদর্শক (এসআই) শাহাদাত হোসেন বলেন, পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় ফোন উদ্ধারে কাজ শুরু করেন তিনি। ফোনের আইএমইআই নম্বরের সূত্র ধরে প্রযুক্তির সহায়তায় ১২ ঘণ্টার মধ্যে নগরীর পূর্ব মাদারবাড়ীর এক নারীর কাছ থেকে ফোনটি উদ্ধার করেন।
এসআই শাহাদাত বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে ওই নারী তাঁকে জানিয়েছেন, রিয়াজ উদ্দিন বাজারের এক দোকানির কাছ থেকে ফোনটি তিনি অল্প দামে কিনেছিলেন। উদ্ধারের পর রাতেই প্রকৃত মালিকের কাছে ফোনটি হস্তান্তর করা হয়েছে।
পিবিআই চট্টগ্রাম পুলিশ সুপার নাজমুল হাসান এসআই শাহাদাত হোসেনের পারদর্শিতার প্রশংসা করে বলেন, ‘অভিযোগের ১২ ঘণ্টার মধ্যে স্মার্টফোনটি উদ্ধার করে মালিককে ফেরত দিতে পেরে আমরা খুশি।’