হোম > সারা দেশ > চট্টগ্রাম

আরও ৩ রোগীকে ঢাকায় নিতে হবে, হাসপাতালে ভিড় না করার অনুরোধ

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

বিএম কনটেইনার ডিপোতে বিস্ফোরণের ঘটনায় দগ্ধ হয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরও তিন রোগীকে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া জরুরি বলে জানিয়েছেন শেখ হাসিনা বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জাতীয় সমন্বয়ক ডা. সামন্ত লাল সেন। 

আজ সোমবার চমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন দগ্ধ রোগীদের পর্যবেক্ষণ শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

এ সময় ডা. সামন্ত লাল বলেন, এই রোগীদের শরীর ফুলে যাচ্ছে। তাঁদের শ্বাসকষ্ট হতে পারে। সে জন্য বার্ন আইসিইউতে নিতে হতে পারে। এ কারণে তাঁদের পরিবারের সদস্যদের সাঁয় মিললে ঢাকায় নিয়ে যেতে চাই।

প্রখ্যাত এই বার্ন চিকিৎসক বলেন, ‘চমেক হাসপাতালে যারা দগ্ধ রোগীদের দেখছেন, সেসব চিকিৎসকদের যোগ্যতা ও দক্ষতা নিয়ে কোনো প্রশ্ন নেই। তবে এখানে কিছু সুযোগ-সুবিধার সংকট রয়েছে। সে জন্য গুরুতর রোগীদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নিয়ে যেতে চাওয়া।’

এর আগে গতকাল রোববার ১৪ জন রোগীকে ঢাকার শেখ হাসিনা বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিয়ে যাওয়া হয়। এখন আরও তিনজনকে নিয়ে যাওয়া হলে সেই সংখ্যা বেড়ে হবে ১৭ জনে।

ডা. সামন্ত লাল সেন অযথা হাসপাতালে কাউকে ভিড় না করার অনুরোধ জানান। তিনি বলেন, দগ্ধ রোগীদের জন্য সবচেয়ে ভয়ের কারণ হচ্ছে সংক্রমণ। সংক্রমণ হলে দগ্ধ রোগীদের কোনোভাবেই বাঁচানো সম্ভব না। সে জন্য অযথা কেউ ভিড় করে তাঁদের ঝুঁকির কারণ হবেন না।

চমেক হাসপাতালের পরিচালকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এই সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া। তিনিও হাসপাতালে নেতা-কর্মীদের অহেতুক ভিড় না করার নির্দেশ দেন। 

চট্টগ্রামে বিরোধপূর্ণ জমি: ১ বছর নিয়ে ২০ বছর ইজারা

বেপরোয়া পর্যটক সামলাতে হিমশিম অবস্থা কর্তৃপক্ষের

বউভাতে যাওয়ার পথে মাইক্রোবাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে কনের নানি নিহত

৯ জুলাই যোদ্ধা চাকরি পেলেন চট্টগ্রাম বন্দরে

১০ বছর পর দম্পতির কোলজুড়ে একসঙ্গে পাঁচ সন্তান

‘সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা সৃষ্টি করতে পরিকল্পিতভাবে হিন্দুদের বাড়িতে আগুন’

টেকনাফে গুলিবিদ্ধ শিশুটিকে পাঠানো হচ্ছে ঢাকায়, মাথার খুলির এক পাশ খুলে রাখা হয়েছে

মেরিন একাডেমি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের মিলনমেলা

চট্টগ্রামে নালা থেকে বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার

সড়ক থেকে উদ্ধার সেই শিশু দাদির জিম্মায়, বাবা কারাগারে