চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে সাত বছরের শিশু জান্নাতুল নাইমা হীরামনিকে ধর্ষণ ও হত্যায় অভিযুক্ত বাবু শেখ দোষ স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। বুধবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে চট্টগ্রামের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সায়মা আফরিনের আদালত আসামি জবানবন্দি দেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক মো. কামরুজ্জামান।
তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, আসামি বাবু শেখ তাঁর অপরাধ স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। জবানবন্দীতে তিনি ঘটনার বিস্তারিত উল্লেখ করেছেন। পরে জবানবন্দি শেষে আদালত তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।
এর আগে গত রোববার দুপুরে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড পৌর সদরের বোটানিক্যাল গার্ডেন ও ইকোপার্কের ভেতরে দুর্গম পাহাড়ি এলাকা থেকে জান্নাতুল নাইমা হীরামনিকে গলার শ্বাসনালি কাটা অবস্থায় উদ্ধার করে কয়েকজন শ্রমিক। এরপর শিশুটিকে প্রথমে সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে চট্টগ্রামে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনা হয়। চমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার ভোর ৫টায় শিশুটির মৃত্যু হয় বলে জানায় পুলিশ। একইদিন শিশুটিকে হত্যায় অভিযুক্ত বাবু শেখকে কুমিরা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
এরপর রাতে সীতাকুণ্ড থানায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ আসামির কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের বরাতে জানায়, শিশুটির বাবার সঙ্গে আসামি বাবু শেখের বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। পুলিশ বলেছে, শিশুটির বাবা মনিরের সঙ্গে আসামি বাবু শেখের পারিবারিক বিরোধ ছিল।