হোম > সারা দেশ > চট্টগ্রাম

ফুলকপি ও বাঁধাকপির ভালো ফলনে চাষিদের মুখে হাসি

রাঙ্গুনিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

শীতকালের সবচেয়ে মজাদার সবজির নাম ফুলকপি। তবে এই সময়ে তার সহোদর বাঁধাকপির কদরও কম নয়। শীতের সময় বেশির ভাগ সবজিপ্রিয় মানুষের খাবারের তালিকায় থাকে দুটি কপিই। 

জানা যায়, অধিক লাভের আশার চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় প্রচুর পরিমাণে ফুলকপি ও বাঁধাকপির চাষ করা হয়। 

উপজেলা উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা লোকন বিশ্বাস আজকের পত্রিকাকে বলেন, 'এ বছর রাঙ্গুনিয়া উপজেলায় ১০ হাজার কৃষক প্রায় ৫০০ একর জমিতে ফুলকপি ও বাঁধাকপির চাষ করেছেন। রাঙ্গুনিয়ার প্রায় সব কটি চরের অর্ধেকেরও বেশি জায়গাজুড়ে করা হয়েছে এ দুই জাতের কপির চাষ। কৃষকেরা দিনরাত এক করে কপি চাষ করছেন। এই সময়ে বাজারে ফুলকপির পাশাপাশি বাঁধাকপির দামও বেশ ভালো। উপজেলা কৃষি অফিসের পরামর্শে ও কর্মকর্তাদের সার্বক্ষণিক তত্ত্বাবধানে কৃষকেরা কপি চাষে লাভবান হচ্ছেন।' 

এ বিষয়ে পোমরা ইউনিয়নের বার আউলিয়ার ঢালা এলাকার কপিচাষি নুরুল আমিন বলেন, 'এবার দেড় একর জমিতে ফুলকপি ও বাঁধাকপির চাষ করেছি। শীতের শুরুতে দাম ভালো পাওয়ায় খরচ উঠে গেছে। নিজের জমিতে চাষাবাদ করায় বেশ ভালো লাভবান হয়েছি। এ পর্যন্ত ৪০ হাজার টাকার কপি বিক্রি করেছি।'

বেতাগী ইউনিয়নের মির্জাখিল গ্রামের কপিচাষি আবুল কালাম বলেন, 'বর্গা নিয়ে এক একর জমিতে ফুলকপি ও বাঁধাকপির চাষ করেছি। এর মধ্যে দাম ভালো পেয়েছি। জমির মালিককেও সন্তুষ্ট করতে পেরেছি। বর্গা চাষ করায় খরচ উঠে এলেও এখনো পরিশ্রমের দামটা পাইনি। তবে আশা করছি যে পরিমাণ ফসল জমিতে রয়েছে, তা থেকে পরিশ্রমের পাওনাসহ লভ্যাংশ উঠে আসবে।' 

কর্ণফুলীর দাঙ্গার চরের সবজিচাষি লেয়াকত আলী বলেন, 'প্রচুর ফলন হয়েছে এ বছর। বিক্রিও ভালো হয়েছে। চাষিরা তাঁদের পরিশ্রমের দামটা পেয়ে খুশি। পাইকাররা এখন আর চাষিদের সঙ্গে প্রতারণা করেন না। ডিজিটাল বাংলাদেশ চাষিদের বাজারদর সম্পর্কে সচেতন করে তুলছে। ফসলের উপযুক্ত দাম পেয়ে রাঙ্গুনিয়ার কৃষকেরা দিনরাত এক করে দিয়েছেন কপি উৎপাদনে।' 

এ বিষয়ে রাঙ্গুনিয়া মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ সরওয়ার সালেক সিকদার আজকের পত্রিকাকে বলেন, 'দেখতে অত্যন্ত সুন্দর ফুলকপির প্রতি মানুষের আজন্মকালের লোভ। খেতেও দারুণ মজার। সেই সঙ্গে বাঁধাকপির স্বাদ শীতকালের মর্যাদাটাই আলাদা করে দেয়। তাই শীতকাল এলে রাঙ্গুনিয়ার তাজা সবজির আয়োজন মনটাকে প্রফুল্ল করে দেয়।' 

আরও পড়ুন:

চট্টগ্রামে বিরোধপূর্ণ জমি: ১ বছর নিয়ে ২০ বছর ইজারা

বেপরোয়া পর্যটক সামলাতে হিমশিম অবস্থা কর্তৃপক্ষের

বউভাতে যাওয়ার পথে মাইক্রোবাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে কনের নানি নিহত

৯ জুলাই যোদ্ধা চাকরি পেলেন চট্টগ্রাম বন্দরে

১০ বছর পর দম্পতির কোলজুড়ে একসঙ্গে পাঁচ সন্তান

‘সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা সৃষ্টি করতে পরিকল্পিতভাবে হিন্দুদের বাড়িতে আগুন’

টেকনাফে গুলিবিদ্ধ শিশুটিকে পাঠানো হচ্ছে ঢাকায়, মাথার খুলির এক পাশ খুলে রাখা হয়েছে

মেরিন একাডেমি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের মিলনমেলা

চট্টগ্রামে নালা থেকে বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার

সড়ক থেকে উদ্ধার সেই শিশু দাদির জিম্মায়, বাবা কারাগারে