হোম > সারা দেশ > চট্টগ্রাম

চবিতে ছাত্রলীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১৯

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

খাবারের দোকানে কথা-কাটাকাটিকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) শাখা ছাত্রলীগের (কমিটি বিলুপ্ত) দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। আজ শুক্রবার বিকেল ৩টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহজালাল ও সোহরাওয়ার্দী হলের মাঝামাঝি সড়কে এই সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১৯ জন নেতা কর্মী আহত হয়েছেন। পরে বিকেল পৌনে ৪ টার দিকে প্রক্টরিয়াল বডি ও পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. নুরুল আজিম সিকদার আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘খাবারের হোটেলে কথা-কাটাকাটিকে কেন্দ্র করে ছাত্রদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। আমরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছি। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।’

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বিবাদমান পক্ষ দুইটি হচ্ছে সিক্সটি নাইন ও বিজয়। সিক্সটি নাইনের কর্মীরা সাবেক সিটি মেয়র আ.জ.ম নাছির উদ্দিনের অনুসারী এবং বিজয়ের কর্মীরা শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের অনুসারী হিসেবে ক্যাম্পাসে নিজেদের পরিচয় দেন।

সংঘর্ষের সময় সিক্সটি নাইনের কর্মীরা শাহজালাল হলের সামনে ও বিজয় গ্রুপের কর্মীরা সোহরাওয়ার্দী হল মোড়ে অবস্থান নিয়ে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করেন। এ সময় উভয় পক্ষের কর্মীদের দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মহড়া দিতে দেখা যায়। 

ছাত্রলীগের নেতা কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দুপুরে ক্যাম্পাসের একটি হোটেলে খাবার শেষে বের হওয়ার সময় সিক্সটি-নাইন গ্রুপের কর্মী আজমিরের হাতের ধাক্কা লেগে টেবিলের ওপরে থাকা ডালের বাটি পড়ে যায়। এ বিষয়টি নিয়ে বিজয় গ্রুপের কর্মী মাহিরের সঙ্গে আজমিরের কথা-কাটাকাটি হয়। এর জেরে দুই গ্রুপে উত্তেজনা ছড়ালে বিকেলে সংঘর্ষে জড়ান তারা।

বিশ্ববিদ্যালয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রের প্রধান চিকিৎসা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ডা. আবু তৈয়ব আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সংঘর্ষে আহত হয়ে ১৯ জন চিকিৎসা কেন্দ্রে এসেছেন। তাদেরকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।’  

সিক্সটি নাইন পক্ষের নেতা ও শাখা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইদুল ইসলাম সাইদ বলেন, ‘আমাদের এক ছোট ভাই আজমিরকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাদের কিছু ছেলে গায়ে হাত তুলেছে। আমরা তারপরও পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আমাদের ছেলেদের হলে রেখেছিলাম। পরে ওদের ছেলেরা সোহরাওয়ার্দী ক্যানটিনের সামনে এসে উসকানিমূলক আচরণ করে। ওদের ছেলেরা অগ্রসর হলে তার প্রেক্ষিতে আমাদের ছেলেরা প্রতিহত করে। আমরা সিনিয়ররা পরিস্থিতি শান্ত করে সংঘর্ষ আর বড় হতে দিই নাই।’

বিজয় উপপক্ষের নেতা শাখাওয়াত হোসাইন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘খাবারের হোটেলে দুই পক্ষের দুই কর্মীর মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়েছে। আমি চেয়েছি ঝামেলাটা না বাড়ানোর জন্য। প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলে নেতা কর্মীদের হলে ঢুকিয়ে দিয়েছি। কিন্তু তারা (সিক্সটি নাইন) উদ্দেশ্য প্রণোতিদভাবে ঝামেলা করতে আসে। পরে আমাদের হলের সবাই প্রতিহত করে। তাদের সিনিয়দের সঙ্গে কথাবার্তা বলছি, দ্রুত সমাধান হয়ে যাবে।’

বউভাতে যাওয়ার পথে মাইক্রোবাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে কনের নানি নিহত

৯ জুলাই যোদ্ধা চাকরি পেলেন চট্টগ্রাম বন্দরে

১০ বছর পর দম্পতির কোলজুড়ে একসঙ্গে পাঁচ সন্তান

‘সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা সৃষ্টি করতে পরিকল্পিতভাবে হিন্দুদের বাড়িতে আগুন’

টেকনাফে গুলিবিদ্ধ শিশুটিকে পাঠানো হচ্ছে ঢাকায়, মাথার খুলির এক পাশ খুলে রাখা হয়েছে

মেরিন একাডেমি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের মিলনমেলা

চট্টগ্রামে নালা থেকে বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার

সড়ক থেকে উদ্ধার সেই শিশু দাদির জিম্মায়, বাবা কারাগারে

চট্টগ্রামে ছুরিকাঘাতে পুলিশ সদস্য হত্যা মামলায় ১০ জনের যাবজ্জীবন

মিয়ানমার সীমান্তে গোলাগুলি: টেকনাফের গুলিবিদ্ধ শিশুটি লাইফ সাপোর্টে