ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে ৯ বছর বয়সী এক শিশুকন্যাকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। গতকাল শনিবার রাতে ভুক্তভোগী শিশুকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শিশুটি সরাইলের স্থানীয় একটি মাদ্রাসার মক্তব বিভাগের শিক্ষার্থী। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত সহিদ মিয়া পলাতক। তিনি একই এলাকার জামাল উদ্দিনের ছেলে।
ভুক্তভোগী ওই শিশুর পরিবার অভিযোগ করে বলে, শিশুটি গতকাল দুপুরে বাড়ির পাশে খেলাধুলা করছিল। এ সময় প্রতিবেশী সহিদ মিয়া শিশুটিকে চিপস কিনে দেওয়ার কথা বলে ফুসলিয়ে দূরবর্তী নির্জন স্থানে নিয়ে যান। পরে সেখানে শিশুটিকে ধর্ষণ করেন। এ সময় ঘটনাটি কাউকে জানালে শিশুটিকে মেরে ফেলার হুমকিও দেন। এরপর অভিযুক্ত সহিদ নিজেই ওই শিশুকে নদীতে গোসল করিয়ে বাড়ির সামনে রেখে যান। একপর্যায়ে শিশুটি অসুস্থ বোধ করলে পরিবারকে বিষয়টি জানায়। পরে পরিবারের সদস্যরা শিশুটিকে হাসপাতালে ভর্তি করেন। এ ঘটনায় তাঁরা অভিযুক্ত সহিদকে আইনের আওতায় এনে বিচারের দাবি করেছেন।
সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনজুর কাদের ভূঁইয়া বলেন, জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এর মাধ্যমে ধর্ষণের অভিযোগ পেয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করা হয়। তবে ধর্ষণের ঘটনায় এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ আসেনি। বিষয়টি স্পর্শকাতর হওয়ায় পুলিশ দ্রুত অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
২৫০ শয্যাবিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক রতন কুমার ঢালী জানান, ভুক্তভোগী শিশুটির শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রকৃত বিষয়টি বলা যাবে।