বগুড়া পুলিশ লাইনসের একটি কক্ষ থেকে আরিফুল ইসলাম (৪০) নামে এক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মরদেহ উদ্ধারের ঘটনা ঘটে। তাঁর কর্মস্থল ছিল বগুড়া পুলিশ লাইনসের বেতার শাখা।
আজ শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে বেতার শাখার একটি কক্ষ থেকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় এই পুলিশ কর্মকর্তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন বগুড়া জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) মীর্জা সায়েম মাহমুদ।
এএসআই আরিফুল ইসলামের বাড়ি নাটোর জেলার নলডাঙ্গা থানার পদ্মবিল ঘরিয়া গ্রামে। তাঁর বাবার নাম আশরাফ আলী।
আরিফুলের সহকর্মী কনস্টেবল আব্দুল লতিফ জানান, বেতার শাখার দোতলার একটি কক্ষে তাঁরা থাকতেন। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১টার দিকে আরিফুলকে তাঁর কক্ষের বিছানায় শুয়েছিলেন। আজ সকালে তাঁকে ওই কক্ষে দেখা যায়নি। তখন সহকর্মীরা ধারণা করেন, আরিফুল ইসলাম নিচতলায় বেতার কক্ষে দায়িত্ব পালন করছেন। কিন্তু সকাল ১০টাও তাঁর খোঁজ পাওয়া যায়নি। এ সময় পাশের ওয়ার্কশপের কক্ষের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ দেখে তাঁদের সন্দেহ হয়। পরে জানালা দিয়ে আরিফুলকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখা যায়।
খবর পেয়ে বগুড়ার এসপি মীর্জা সায়েম মাহমুদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পরে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে আরিফুল ইসলামের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়।
এসপি মীর্জা সায়েম মাহমুদ বলেন, আরিফুলের স্ত্রী ও সন্তান গ্রামের বাড়িতে থাকেন। তাঁদের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। পারিবারিক কোনো বিরোধের তথ্য পাওয়া যায়নি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ঋণের কারণে তিনি আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন।