আষাঢ়ের শুরুতে টানা বৃষ্টিতে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে পাহাড় ধসের শঙ্কা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে পাহাড় ও পাহাড়ের ঢালে বসবাসরত শত শত পরিবার ঝুঁকিতে রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে নাগরিকদের নিরাপদ রাখতে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা প্রশাসন আগাম সতর্কতা ও প্রস্তুতি নিয়েছে।
আজ বুধবার বিকেলে উপজেলা প্রশাসনের দপ্তর থেকে জানানো হয়, আষাঢ় মাসের প্রথম দিন থেকে বৃষ্টি শুরু হলেও আজ বুধবার টানা বৃষ্টি হওয়ায় তারা আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন।
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ৫টি ইউনিয়নই পাহাড় অধ্যুষিত। বিশেষ করে সদর ইউনিয়ন, সোনাইছড়ি, দোছড়ি ও ঘুমধুম ইউনিয়নে পাহাড় বা পাহাড়ের ঢালুতে শত শত পরিবার বসবাস করে।
পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর পাশাপাশি গত দুই দশকে বাঙালিরাও একইভাবে এসব এলাকায় বসবাস শুরু করেছে। এ কারণে প্রতিবছর অতিবৃষ্টি হলে পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটে।
উপজেলা প্রশাসনের ভাষ্য, প্রতিবছর আগাম প্রস্তুতি নেওয়ার কারণে পাহাড় ধসে উল্লেখযোগ্য কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি। এর ধারাবাহিকতায় এ বছরও পাহাড় বা পাহাড়ের ঢালুতে বসবাসকারীদের সতর্ক করতে মাইকিংয়ের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এ ছাড়া আরও নানা প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এনামুল হাসান এ প্রতিবেদককে বলেন, “সবে টানা বৃষ্টি শুরু হলো। সব ধরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। শুকনো খাবার সংরক্ষণ বা মাইকিং এবং অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র সবই প্রস্তুত। সুতরাং ভয় বা আতঙ্কের কারণ নেই।”