হোম > সারা দেশ > বাগেরহাট

রামপালে সড়ক দুর্ঘটনা: কারণ অনুসন্ধানে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি

বাগেরহাট প্রতিনিধি

বাগেরহাটের রামপালে দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আজ শুক্রবার (১৩ মার্চ) বিকেলে বাগেরহাটের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মেজবাহ উদ্দিনকে প্রধান করে এই কমিটি করা হয়।

তিন সদস্যবিশিষ্ট এই কমিটি মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটির কারণ অনুসন্ধান ও দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করবে। সেই সঙ্গে দুর্ঘটনা রোধে করণীয় বিষয়ে প্রয়োজনীয় সুপারিশ করবে। যথাসম্ভব দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।

বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক (ডিসি) গোলাম মো. বাতেন বলেন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে একটি কমিটি করা হয়েছে। কমিটি দ্রুত সময়ের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দেবে।

জেলা প্রশাসক আরও বলেন, নিহত ব্যক্তিদের প্রতি পরিবারকে সরকারের পক্ষ থেকে ৫০ হাজার টাকা সহযোগিতা করা হবে। বর ও কনের দাফনের জন্য ২০ হাজার করে মোট ৪০ হাজার টাকা দেওয়া হবে। এ ছাড়া বিআরটিএ দুর্ঘটনা ক্ষতিপূরণ-সংক্রান্ত আর্থিক সহায়তা তহবিলসহ অন্যান্য সহযোগিতা নিয়ম অনুযায়ী পাবেন দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতদের পরিবার।

গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে খুলনা-মোংলা মহাসড়কের বেলাই ব্রিজ এলাকায় নৌবাহিনীর স্টাফবাস ও যাত্রীবাহী মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ১৪ জন নিহত হন। বর-কনেসহ ১৪ জনের লাশ পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই গতকাল রাতে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

নিহত ব্যক্তিরা হলেন বর আহাদুর রহমান ছাব্বির, তাঁর বাবা আব্দুর রাজ্জাক, বরের ভাই আব্দুল্লাহ সানি, বোন উম্মে সুমাইয়া ঐশী, তাঁর ছেলে সামিউল ইসলাম ফাহিম, বড় ভাই আশরাফুল আলম জনির স্ত্রী ফারহানা সিদ্দিকা পুতুল, তাঁদের ছেলে আলিফ, আরফা, ইরাম। কনে মার্জিয়া আক্তার (মিতু), তাঁর ছোট বোন লামিয়া আক্তার, দাদি রাশিদা বেগম ও নানি আনোয়ারা বেগম এবং মাইক্রোবাসের চালক নাঈম।

মাইক্রোবাসচালক নাঈমের বাড়ি বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার পেড়িখালি ইউনিয়নের সিংগেরবুনিয়া গ্রামে।

জুমআবাদ মোংলা উপজেলা পরিষদ মাঠে রাজ্জাকসহ তাঁর পরিবারের ৯ সদস্যের জানাজা সম্পন্ন হয়। পরে মোংলা কবরস্থানে তাঁদের দাফন সম্পন্ন হয়। কনে মিতুসহ তাঁর পরিবারের চারজনের কয়রা এলাকায় দাফন সম্পন্ন হয়েছে।

বর ছাব্বিরের মোংলা শহরে মোবাইল ফোনের দোকান ছিল। কনে মিতু কয়রার নাকসা আলিম মাদ্রাসার আলিম প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।

বাগেরহাট দুর্ঘটনা: নিহত ১৪ জনের দাফন সম্পন্ন

‘একসঙ্গে এত কবর কখনো খুঁড়ি নাই’

রক্তভেজা রাস্তায় পড়ে আছে শিশুর ফিডার, জুতা ও কাচের টুকরা

বাগেরহাটে বর-কনেসহ নিহত বেড়ে ১৪: দাফনের অপেক্ষায় স্বজনেরা

নববধূকে নিয়ে বাড়ি ফেরা হলো না তাদের

রামপালে সড়ক দুর্ঘটনার সময় বৃষ্টি ছিল, উভয় গাড়ির গতি ছিল বেশি

নববধূকে নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে দুর্ঘটনা, নিহত ১০ জনই একই পরিবারের

রামপালে বাস-মাইক্রোবাসের সংঘর্ষে এক পরিবারের ১০ জনসহ নিহত ১৩

অন্তঃসত্ত্বা নারীকে অচেতন করে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, আটক ১

বাগেরহাটে ৭টি অবৈধ ইটভাটার ৪ লাখ ইট ধ্বংস