হোম > আড্ডা

আহমদ রফিক

সম্পাদকীয়

স্মৃতিচারণা করে ভাষাসংগ্রামী আহমদ রফিক বলেন, ‘যতদূর মনে পড়ে তখন দুটো-আড়াইটা হবে। ইউনিভার্সিটি, মেডিকেল কলেজ এবং পরিষদ ভবনসংলগ্ন এলাকা তখন ধোঁয়াচ্ছন্ন রণক্ষেত্র। মেডিকেল কলেজ হোস্টেলের ১নং রুম কন্ট্রোল রুমে পরিণত হয়। মাওলানা তর্কবাগীশ, ধীরেন দত্ত, শামসুদ্দীন ও কংগ্রেস পার্টির সদস্যরা পরিষদ বয়কট করে বেরিয়ে আসেন। ২২ তারিখেই বেশি গুলি বর্ষিত হয় এবং এই দিনের মৃত্যুর সংখ্যাই ছিল সবচেয়ে বেশি। হাইকোর্ট ও নবাবপুর স্টুডিও এইচ, খোশমহল সিনেমা হল প্রভৃতির সামনে গুলি বর্ষিত হয়। ওই দিন গুলিবিদ্ধ হয়ে সফিকুর রহমান মারা যায়। ওই দিন (শুক্রবার) মেডিকেল হোস্টেলে গায়েবি জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। মওলানা ভাসানীর এই জানাজা পড়াবার কথা ছিল, কিন্তু তিনি আসেননি। শেরেবাংলা ফজলুল হক সাহেব এসেছিলেন। আমার মনে পড়ে, জানাজা শেষে তিনি হোস্টেলের একটি খুঁটি ধরে অঝোর ধারায় কেঁদে ফেলেছিলেন।’

ছবি: সংগৃহীত

সাঈদ হায়দার

মোহাম্মদ সুলতান

সমাবর্তন সভার স্মৃতি

গাজীউল হক

ফররুখ আহমদ

আবদুল হক

অর্থনৈতিক সংকট যেভাবে গাজার তরুণদের উদ্ভাবক বানাচ্ছে

‘আমাদের কথা লিখে রাখতে হবে’

পুঁথির জাদুঘর

১৯ বছর আগের এক নিঃসঙ্গ পেঙ্গুইনে নিজেকে খুঁজে পাচ্ছে নেটিজেনরা