হোম > নারী

আফ্রিকার লৌহমানবী সিরলিফ

ফিচার ডেস্ক

অ্যালেন জনসন সিরলিফ।

দীর্ঘ ১৪ বছরের ভয়াবহ গৃহযুদ্ধের পর লাইবেরিয়া তখন ধ্বংসস্তূপ। সে সময় দেশটির পুনর্গঠন এবং প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনতে বড় ভূমিকা রাখেন অ্যালেন জনসন সিরলিফ। ২০০৬ সালে তিনি আফ্রিকা মহাদেশের প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করেন। তিনি প্রমাণ করেছিলেন, রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকলে একটি গৃহযুদ্ধ-বিধ্বস্ত সমাজেও নারীর নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিত করা সম্ভব।

অ্যালেন জনসন সিরলিফকে বলা হয় আফ্রিকার লৌহমানবী। ২০০৬ সালের ১৬ জানুয়ারি তিনি লাইবেরিয়ার প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ গ্রহণ করার মাধ্যমে এক নতুন ইতিহাস রচনা করেন। তিনি ছিলেন আফ্রিকার কোনো দেশের প্রথম গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত নারী রাষ্ট্রপ্রধান। গৃহযুদ্ধ-বিধ্বস্ত লাইবেরিয়ায় শান্তি প্রতিষ্ঠা

এবং নারী অধিকার রক্ষায় অসামান্য অবদানের জন্য ২০১১ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান অ্যালেন। তাঁর শাসনামলে তিনি নারী শিক্ষা এবং নির্যাতনের বিরুদ্ধে অত্যন্ত কঠোর আইন প্রণয়ন করেছিলেন, যা বর্তমান বিশ্বের অনেক দেশের জন্যই বিশেষ অনুপ্রেরণা।

স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে কথা বলার অপরাধে সিরলিফকে একাধিকবার কারাবরণ করতে হয়েছে এবং এমনকি দেশ ছেড়ে নির্বাসনেও যেতে হয়েছিল। কিন্তু তিনি কখনো দমে যাননি। তিনি ২০০৬ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত টানা দুই মেয়াদে লাইবেরিয়ার

২৪তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি অ্যালেন জনসন সিরলিফ সেন্টার ফর ওমেন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে আফ্রিকার তরুণী ও নারী নেত্রীদের প্রশিক্ষণ এবং উৎসাহ দেওয়ার কাজ করেছেন।

নারীর ক্ষমতায়নে বাংলাদেশ ২৪তম

ড. রাজিয়া বানু, নারী অগ্রযাত্রায় উজ্জ্বল নক্ষত্র

সালিশি কাউন্সিলের অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিয়ে সম্ভব নয়

ভুলে যাওয়া এক নারী মেরিনা নেমত

২ হাজার ৫৬৮ প্রার্থীর মধ্যে নারী ১০৯, উদ্বেগ সামাজিক প্রতিরোধ কমিটির

শরিয়তি ফারায়েজ অনুযায়ী মেয়ের সন্তান নানার সম্পত্তির সরাসরি ওয়ারিশ হয় না

নিরাপত্তাহীন নারী ও শিশু, সংখ্যা বাড়ছে নির্যাতিতের

শেক্‌সপিয়ার বিশেষজ্ঞ ভয়ংকর এক নারী ইয়েং থিরিথ

ক্ষত আর স্বপ্ন নিয়ে নতুন ভোরের অপেক্ষায় নারীরা

বইকে বেঁচে থাকার শক্তি হিসেবে দেখাতে চান দিয়া