কমলাপুর স্টেডিয়ামের ড্রেসিংরুম, খেলোয়াড়দের ওয়াশরুম ও প্রেস বক্সের বেহাল দশা দেখে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। স্টেডিয়ামের চারপাশে খেলাধুলার জন্য বরাদ্দ জায়গায় অটোরিকশার ব্যবসা চলা এবং ছাদে অবৈধ স্থাপনা থাকায়ও ক্ষোভ জানিয়েছেন তিনি। এরই মধ্যে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে স্টেডিয়ামের প্রশাসক শফি কামালকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
আজ দুপুরে কমলাপুর স্টেডিয়াম পরিদর্শনে যান ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। পরিদর্শনের সময় জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের নির্বাহী পরিচালক, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
স্টেডিয়ামের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখার পর আমিনুল হক জানান, খেলোয়াড়দের ব্যবহারের জায়গাগুলোর অবস্থা সন্তোষজনক নয়। ড্রেসিংরুম ও ওয়াশরুমের পাশাপাশি সংবাদকর্মীদের প্রেস বক্সের পরিবেশও খারাপ। সিঁড়ির নিচে ময়লা-আবর্জনা পড়ে থাকার বিষয়টিও তাঁর নজরে আসে।
ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘খেলোয়াড়দের জন্য হচ্ছে স্টেডিয়াম এবং সেই স্টেডিয়ামের ড্রেসিংরুমের পরিবেশ যাচ্ছেতাই, ওয়াশরুমের পরিবেশ যাচ্ছেতাই এবং সর্বোপরি আপনাদের যে মিডিয়ার প্রেস বক্স, সেটার অবস্থাও একদম যাচ্ছেতাই।’
কমলাপুর স্টেডিয়ামের চারপাশে থাকা দোকানগুলো নিয়েও সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন আমিনুল হক। তাঁর ভাষ্য, এসব জায়গা খেলাধুলাসংশ্লিষ্ট কাজে ব্যবহারের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হলেও সেখানে এখন অটোরিকশার ব্যবসা চলছে। এতে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ ব্যবহারেরও অভিযোগ রয়েছে।
আমিনুল হক বলেন, ‘আমাদের এই স্টেডিয়াম এলাকার যতগুলো দোকান রয়েছে, সেগুলোর সকল চুক্তি আমরা বাতিল করে এখানে একটি স্পোর্টসের ভাব, স্পোর্টসের যে একটি পরিবেশ, সেটিকে আমরা নিশ্চিত করতে চাই।’
আগামীকাল জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের একটি দল কমলাপুর স্টেডিয়াম পরিদর্শন করবে। কোথায় মেরামত, সংস্কার ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ প্রয়োজন, তা চিহ্নিত করে দ্রুত কাজ শুরু করা হবে বলে জানিয়েছেন আমিনুল হক। ড্রেসিংরুমে ফ্যান ও এসির ব্যবস্থাসহ খেলোয়াড়দের প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।