২০২৬ বিশ্বকাপে ব্রাজিল দলে জায়গা করে নিতে পারেন কি না, তা নিয়ে নেইমারের দুশ্চিন্তার অন্ত নেই। এ তো গেল খেলাধুলা সংক্রান্ত ব্যাপার। এবার মাঠের বাইরের এক ঘটনায় বিপাকে পড়েছেন নেইমার। ব্রাজিল ফরোয়ার্ডের বিরুদ্ধে সতীর্থকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে।
অনুশীলনের সময় সান্তোস সতীর্থ রবিনিও জুনিয়রকে মারধরের অভিযোগে নেইমারের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে। সূত্রের বরাতে ইএসপিএন জানিয়েছে, গত পরশু অনুশীলনের সময় রবিনিও জুনিয়র ড্রিবল করে নেইমারকে পেরিয়ে যান। তাতে নেইমার ক্ষুব্ধ হয়ে রবিনিও জুনিয়রকে মারধর করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
নেইমারের বিরুদ্ধে তদন্তের কথা নিশ্চিত করেছে সান্তোস। এক বিবৃতিতে ব্রাজিলের এই ক্লাবটি বলেছে, ‘সিটি রেই পেলেতে গত রোববার (৩ মে) অনুশীলনের সময় নেইমার ও রবিনিও জুনিয়রের মধ্যে ঘটে যাওয়া ঘটনাটি বিশ্লেষণ করতে তাৎক্ষণিকভাবে একটি অভ্যন্তরীণ তদন্ত প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে। এই তদন্ত পরিচালনার দায়িত্ব পড়েছে ক্লাবের আইন বিভাগের ওপর। ক্লাব সভাপতির নির্দেশে এটা করা হয়েছে।’
ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যম গ্লোবো এস্পোর্তের তথ্য অনুযায়ী নেইমার অনেক বড় ঝামেলায় পড়তে যাচ্ছেন। ঘটনাটি এখন আর শুধু অনুশীলনের মধ্যেই থেমে নেই। এখন রবিনিও জুনিয়রের আইনজীবীরা ক্লাবের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিয়েছেন। তাঁরা একটি নথি জমা দিয়েছেন। সেখানে অনুশীলনের সময় নেইমারের আচরণ সম্পর্কে ব্যবস্থা নেওয়া এবং স্বচ্ছতা দাবি করা হয়েছে।
নথি অনুযায়ী রবিনিও জুনিয়রের দাবি, নেইমার তাঁকে (রবিনিও জুনিয়র) বাজে ভাষায় গালিগালাজ করেছেন, পা লাগিয়ে ফেলে দিয়েছেন এবং মুখে জোরে চড় মেরেছেন। রবিনিও জুনিয়র এখন অনুশীলনের ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ এবং ক্লাবে ন্যূনতম নিরাপত্তা ব্যবস্থার অভাব নিয়ে আলোচনা করতে একটি বৈঠকের দাবি করছেন।
দীর্ঘ এক যুগ পর শৈশবের ক্লাব সান্তোসে ফেরেন নেইমার। কিন্তু চিরশত্রু চোট যে তাঁকে মাঠে খুব একটা নামার সুযোগই দেয়নি। চলতি মৌসুমে সান্তোসের হয়ে সব ধরনের প্রতিযোগিতা মিলে ১১ ম্যাচে করেছেন ৪ গোল। অ্যাসিস্ট করেছেন ৩ গোলে। এবার রবিনিও জুনিয়রকে মারার অভিযোগ উঠেছে। তাঁর বাবা রবিনিওর সঙ্গে একসময় জাতীয় দলে খেলেন নেইমার।