কোয়ার্টার ফাইনালেই বিদায় নিয়েছে বড় দুই দল রিয়াল মাদ্রিদ ও বার্সেলোনা। তাদের অনুপস্থিতিতে সেমিফাইনালে ওঠা চার দলের মধ্যে বেশি সম্ভাবনাময় ধরা হচ্ছে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন পিএসজি এবং ছয়বারের চ্যাম্পিয়ন বায়ার্নকে। কিন্তু ৩০ মে বুদাপেস্টে অনুষ্ঠেয় ফাইনালে উঠবে এই দুই দলের একটি। কেননা সেমিফাইনালেই যে মুখোমুখি হচ্ছে এই দুই দল।
প্রথম লেগে পিএসজির ঘরের মাঠ পার্ক দে প্রিন্সেসে বায়ার্নকে আতিথেয়তা দেবে পিএসজি। যারা তারুণ্যনির্ভর একটা দল নিয়েই গতবার চমক দেখিয়ে জিতেছিল চ্যাম্পিয়নস লিগ। লুইস এনরিখের দল এখন আরও পরিণত। এবারও লক্ষ্য শিরোপা ধরে রাখা।
পিএসজির স্প্যানিশ কোচ লুইস এনরিকে বললেন, ‘গত মৌসুমে সবাই ভেবেছিল আমাদের দলটি খুব তরুণ বলে চ্যাম্পিয়নস লিগ জিততে পারব না। এখন সবাই জানে আমরাই চ্যাম্পিয়ন, কিন্তু আমাদের আরও উন্নতি করতে হবে। এটাই আমাদের লক্ষ্য।’
অভিন্ন লক্ষ্যের কথা বলছেন পিএসজির তারকা স্ট্রাইকার উসমান দেম্বেলেও, ‘ট্রফি জেতার (ধরে রাখার) প্রবল ইচ্ছা আমাদের; শেষ পর্যন্ত যাওয়ার চেষ্টা করব আমরা।’
এই সেমিফাইনালের বিজয়ীদেরই টুর্নামেন্টের সম্ভাব্য হিসেবে দেখছেন ফুটবলবোদ্ধারা। দুটি দলই রয়েছে দারুণ ফর্মে। লড়াইয়ের আগে প্রতিপক্ষ পিএসজিকে বায়ার্ন কোচ ভিনসেন্ট কম্পানি সমীহ করছেন এভাবেই, ‘চ্যাম্পিয়নস লিগের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন প্যারিসের মুখোমুখি হওয়া সম্ভবত কঠিনতম চ্যালেঞ্জ। তবে আমি এখানেই থেমে যেতে চাই না।’