নাটকীয়তার পর শেষ পর্যন্ত নেপালের বিপক্ষে খেলছেন না হামজা চৌধুরী। আন্তর্জাতিক বিরতির আগে লেস্টার সিটির হয়ে শেষ ম্যাচে চোটে পড়েন তিনি। চোটের মাত্রা গুরুতর না হলেও অক্টোবরে হংকংয়ের বিপক্ষে ম্যাচ মাথায় রেখে তাঁকে নেপালে খেলানোর ঝুঁকি নিতে চাননি বাংলাদেশ কোচ হাভিয়ের কাবরেরা।
হামজাকে দেখতে শুধু বাংলাদেশ নয়, মুখিয়ে ছিল নেপালও। বিশেষ করে দেশটির খুদে ভক্তরা। আজ সংবাদ সম্মেলনে এমনটাই জানালেন নেপাল দলের অধিনায়ক কিরণ চেমজং। তিনি বলেন, ‘আমরাও হামজাকে দেখতে চেয়েছিলাম। সত্যি বলতে নেপালে স্কুলপড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রীরাও তাকে দেখার জন্য মুখিয়ে ছিল। এমন বড় মাপের একজন খেলোয়াড়কে আমাদের স্টেডিয়ামে খেলতে দেখলে ভালো লাগত। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত আমাদের বিপক্ষে সে খেলতে পারছে না।’
হামজা না থাকায় বাড়তি সুবিধা মনে করছেন না নেপালের অস্ট্রেলিয়ান কোচ ম্যাট রস। তিনি বলেন, ‘হামজা থাকুক বা না থাকুক, বাংলাদেশ শক্তিশালী দল নিয়েই খেলবে। হামজার বিকল্প হিসেবে যে আছে, সেও উচ্চমানের পেশাদার খেলোয়াড়। তাই হামজার থাকা-না থাকাটা আমাদের কাছে বড় কোনো সমস্যা নয়।’
কাঠমান্ডুর দশরথ স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সবশেষ খেলেছিল ২০২২ সালে। সফরকারীদের পাত্তা না দিয়ে নেপাল ম্যাচটি জিতেছিল ৩-১ গোলে। কাল প্রথম প্রীতি ম্যাচে জয় ভিন্ন কিছু ভাবছেন না রস, ‘ছেলেদের বলেছি ম্যাচের ফলাফলের ৯০ শতাংশ নির্ভর করছে আমাদের ওপর। বাংলাদেশের বিপক্ষে দুটি প্রীতি ম্যাচের জন্য ভালো প্রস্তুতি নিয়েছি আমরা। আশা করছি, শারীরিকভাবে কঠিন এক খেলা হবে। আমরা জেতার জন্য মরিয়া হয়ে আছি।’