লা লিগায় রেসিং সান্তান্দারকে ৩-০ গোলে হারিয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। তবে ম্যাচের ফল ছাপিয়ে আলোচনায় উঠে এসেছে কিলিয়ান এমবাপ্পেকে দেওয়া একটি পেনাল্টি। সিদ্ধান্তটি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন রেসিংয়ের মিডফিল্ডার ইভান মার্তিন। তাঁর মতে, এমবাপ্পের সঙ্গে সামান্য সংস্পর্শের জন্য পেনাল্টি দেওয়া উচিত হয়নি।
ম্যাচের শুরুতেই বক্সের ভেতর মার্তিনের সঙ্গে সংঘর্ষে পড়ে যান এমবাপ্পে। সঙ্গে সঙ্গে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি মুনুয়েরা। এ সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ হন রেসিং সান্তান্দারের খেলোয়াড়েরা। ম্যাচ চলাকালে প্রতিবাদ জানালেও শেষ বাঁশির পরও তাঁদের অসন্তোষ কমেনি।
বিরতির সময় ডিএজেডএনের সঙ্গে কথা বলেন মার্তিন। এমবাপ্পের সঙ্গে সংস্পর্শের বিষয়টি স্বীকার করলেও পেনাল্টির সিদ্ধান্ত মানতে নারাজ এই মিডফিল্ডার।
মার্তিন বলেন, ‘আমি ওর গায়ে সামান্য হাত রেখেছিলাম। কিন্তু এ ধরনের ঘটনাকে পেনাল্টি হিসেবে দেওয়া উচিত নয়।’
রেফারির ব্যাখ্যা তুলে ধরে মার্তিন বলেন, ‘রেফারি আমাদের বলেছিলেন, তিনি সংস্পর্শ দেখেছেন এবং ভিএআর প্রযুক্তিও তাঁকে নিশ্চিত করেছে যে সংস্পর্শ হয়েছিল।’
এমবাপ্পের সঙ্গে সংস্পর্শ ঘটেছিল, তা নিয়ে দ্বিমত নেই মার্তিনের। তবে সেই স্পর্শ পেনাল্টি দেওয়ার মতো অপরাধ ছিল কি না, সেটিই তাঁর প্রশ্ন। রেসিংয়ের কোচ হোসে আলবার্তোও একই অবস্থান নিয়েছেন। তাঁর মতে, এমবাপ্পেকে ধাক্কা দেওয়া কিংবা ধরে রাখার ঘটনা ঘটেনি। তাই পেনাল্টির সিদ্ধান্ত সঠিক ছিল না।
অন্যদিকে, রেফারির সিদ্ধান্তের পেছনেও যুক্তি রয়েছে। মুনুয়েরার কাছে মার্তিনের হাতের সংস্পর্শ এমবাপ্পের দৌড়ে বাধা সৃষ্টি করার জন্য যথেষ্ট ছিল। বক্সের ভেতরে কোনো সংস্পর্শ খেলোয়াড়ের গতিবিধিতে বাধা দিলে সেটি ফাউল হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। তবে ঠিক কতটা ওই স্পর্শ এমবাপ্পের চলার পথে প্রভাব ফেলেছে, তা নির্দিষ্টভাবে পরিমাপ করা কঠিন। এমন পরিস্থিতিতে রেফারির বিচার বিবেচনাই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।
এ ঘটনায় ভিএআরের হস্তক্ষেপের সুযোগও সীমিত ছিল। কারণ, রেফারি নিজেই ঘটনাটি দেখেছিলেন এবং নিজের বিবেচনায় সিদ্ধান্ত দিয়েছিলেন। সংস্পর্শ না হলে ভিএআর পেনাল্টির সিদ্ধান্ত বাতিল করতে পারতো। কিন্তু সংস্পর্শের অস্তিত্ব থাকায় সিদ্ধান্তটি বহাল থাকে।