প্রিমিয়ার লিগে কোনো ক্লাবের দায়িত্ব নিয়ে প্রথম সাত ম্যাচেই জয়। এমন কীর্তি গড়েছেন এনজো মারেসকা। ম্যানচেস্টার সিটির কোচ হিসেবে পেপ গার্দিওলা যা করতে পারেননি, সেই ইতিহাসই এবার লিখলেন মারেসকা। ইপসউইচ টাউনকে ৩-২ গোলে হারিয়ে এই অনন্য রেকর্ড গড়েছেন তিনি।
ইতিহাদ স্টেডিয়ামে সিটির হয়ে জোড়া গোল করেন আরলিং হালান্ড। বাকি গোলটা করেন ফিল ফোডেন। এই জয়ে প্রিমিয়ার লিগে নিজেদের শতভাগ জয়ের রেকর্ড ধরে রাখে দলটি। পাশাপাশি ১৮৯৭-৯৮ মৌসুমে গড়া মৌসুমের শুরুতে টানা জয়ের নিজেদের সেরা রেকর্ডেও ভাগ বসায় সিটি।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেছে সিটি। তবে প্রথম দিকে গোলের সুযোগ খুব বেশি তৈরি করতে পারেনি স্বাগতিকেরা। রুবেন দিয়াসের জোরালো শট ফিরিয়ে দেন ইপসউইচের গোলরক্ষক ক্রিশ্চিয়ান ওয়ালটন।
এরপর ম্যাচের প্রথম গোলটি করেন ফোডেন। জেরেমি ডোকুর বাড়ানো বল পেয়ে নিখুঁত ফিনিশিংয়ে জাল খুঁজে নেন ইংলিশ মিডফিল্ডার। ম্যানচেস্টার ডার্বিতে লাল কার্ড দেখার পর এটিই ছিল তাঁর প্রথম ম্যাচ।
তবে ২০ মিনিটের দিকে সমতায় ফেরে ইপসউইচ। রক্ষণভাগের পেছনে বাড়ানো বল ধরে এগিয়ে যান দাইজেন মায়েদা। মার্ক গেহির বাধা সামলে নিচু শটে বল জালে পাঠান তিনি।
প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগে আবারও এগিয়ে যায় সিটি। মাতেও কোভাচিচের বুদ্ধিদীপ্ত প্রচেষ্টার পর বল পেয়ে নিজের প্রথম গোলটি করেন হালান্ড। দ্বিতীয়ার্ধের মাঝামাঝি সময়ে ইলিমান এনদিয়ায়ের পাস থেকে বল পেয়ে আবদুল ওয়াত্তারাকে শারীরিক শক্তিতে পেছনে ফেলেন নরওয়েজিয়ান স্ট্রাইকার। এরপর নিখুঁত শটে নিজের দ্বিতীয় গোল করে সিটির লিড ৩-১ করেন তিনি।
ব্যবধান আরও বাড়ানোর সুযোগ পেয়েছিল সিটি। এনসো ফার্নান্দেসের ওয়ান অন ওয়ান প্রচেষ্টা আটকে দেন ইপসউইচ গোলরক্ষক। এনদিয়ায়ের একটি শট লাগে ক্রসবারে। পরে হ্যাটট্রিকের সুযোগও পেয়েছিলেন হলান্ড, কিন্তু অফসাইডের কারণে তাঁর গোল বাতিল হয়ে যায়।
ম্যাচের শেষ দিকে পেনাল্টি থেকে গোল করে ব্যবধান কমান জিয়ান ফ্লেমিং। আবদুল ফাতাওকে ফাউল করায় পেনাল্টি পায় ইপসউইচ। সেখান থেকে গোল করলেও শেষ পর্যন্ত সমতা ফেরাতে পারেনি সফরকারীরা।