বিশ্বকাপে ‘জি’ গ্রুপের খেলা শেষ হয়েছে। সবকটি ম্যাচ শেষে নকআউটে জায়গা করে নিয়েছে মিসর ও বেলজিয়াম। সরাসরি পরের পর্বের বাধা পেরোতে না পারলেও এখনো আশা বেঁচে আছে ইরানের সামনে। তৃতীয় স্থানের সেরা আটে থাকলে পরের পর্বে যেতে পারবে এশিয়ার দলটি।
সরাসরি বিশ্বকাপের নকআউটে যেতে মিসরের বিপক্ষেই জিততেই হতো ইরানকে। এমন সমীকরণে ১-১ গোলে ড্র করেছে এশিয়ার দলটি। একই গ্রুপের অপর ম্যাচে নিজিল্যান্ডের বিপক্ষে গোল উৎসব করেছে বেলজিয়াম। ৫-১ গোলের জয়ে গ্রুপপর্ব শেষ করেছে ইউরোপের প্রতিনিধিরা।
১ জয় এবং ২ ড্রয়ে গ্রুপ সেরা হয়েই নকআউটে পা রেখেছে বেলজিয়াম। তাদের সংগ্রহ ৫ পয়েন্ট। সমান পয়েন্ট পেলেও গোল ব্যবধানে পিছিয়ে দুইয়ে থেকে গ্রুপপর্ব শেষ করেছে মিসর। ৩ পয়েন্ট নিয়ে তিনে আছে ইরান। গ্রুপপর্বের শেষ দিনের অপেক্ষায় তারা।
সিয়াটল স্টেডিয়ামে ইরান-মিসর লড়াইয়ে ১৪ মিনিটের মধ্যেই একবার করে জালে বল জড়ায় দুই দল। পঞ্চম মিনিটে মাহমুদ সাবের মিসরকে এগিয়ে নেওয়ার পর ইরানকে সমতায় ফেরান রামিন রেজাইন। নির্ধারিত সময়ের বাকি সময়ে কোনো দল আর গোলমুখ খুলতে পারেনি। যোগ করা সময়ের ষষ্ঠ মিনিটে খালিলজাদেহ মিসরের জালে বল পাঠালে উল্লাসে মেতেছিল ইরানের ফুটবলারা। কিন্তু সে উল্লাস মুহূর্তেই ফিকে হয়ে যায়। ভিএআর দেখে অফসাইডের বাঁশি বাজান রেফারি। হতাশা নিয়ে মাঠ ছাড়ে ইরান।
ভ্যাঙ্কুভারের ভিসি প্লেস স্টেডিয়ামে বেলজিয়ামের মুহুর্মুহু আক্রমণে কেঁপেছে নিউজিল্যান্ডের রক্ষণ। জয়ের লক্ষ্যে খেলতে নেমে বড় হার নিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শেষ করল দলটি। প্রথমার্ধে এক গোল হজম করা দলটি বিরতির পর আরও চার গোল খেয়েছে। বেলজিয়ামের হয়ে জোড়া গোল করেন লেয়ান্দ্রো ত্রসার্দ। একবার করে স্কোরশিটে নাম লেখান কেভিন ডি ব্রুইনা, রোমেলু লুকাকু ও আলেক্সিস সালেমেকার্স।