হোম > খেলা > ক্রিকেট

নির্বাচনের প্রস্তুতি জোরেশোরে, তামিমকে নিয়ে আক্ষেপ

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন তামিম ইকবাল। ছবি: ক্রিকইনফো

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচনের আর বাকি মাত্র তিন দিন। এরই মধ্যে নির্বাচন ঘিরে ব্যস্ততা বাড়ছে বিসিবি ভবনে। এখন আলোচনায় থাকার কথা কে কাকে হারাবেন, কোন প্যানেল এগিয়ে—কিন্তু সবার মুখে ঘুরেফিরে আসছে এক বিষয়ই, সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল ও তাঁর সঙ্গে থাকা ১৬ ক্লাব সংগঠকের প্রার্থীতা প্রত্যাহার।

বুধবার সরকারের প্রভাব খাটানোর অভিযোগ তুলে তামিম ও ওই সংগঠকেরা একযোগে মনোনয়নপত্র তুলে নেন। ফলে ভোটযুদ্ধের উত্তাপ কিছুটা কমলেও নির্বাচনী কার্যক্রম থেমে নেই। শুক্রবার ছুটির দিন হলেও বিসিবি ভবনে স্বাভাবিক কাজ চলেছে।

ক্লাব ক্যাটাগরির কয়েকজন প্রার্থী আজ ভবনে এসেছিলেন মূলত নির্বাচনী প্রস্তুতি আর কুশল বিনিময়ের জন্য। তাঁদের মধ্যে ছিলেন ঢাকা মেরিনার ইয়াংস ক্লাবের শানিয়ান তানিম নাভিন, লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জের মোহাম্মদ লুৎফর রহমান (বাদল), রূপগঞ্জ টাইগার্সের আদনান রহমান (দীপন), উত্তরার ফায়াজুর রহমান, প্রাইম ধলেশ্বরের আবুশ বাশার, ইয়াং পেগাসাসের একেএম আহসানুর রহমান মল্লিক রনি, এইস ওয়ারিয়র্সের রাকিব উদ্দিন এবং গোল্ডেন ইগলস স্পোর্টিং ক্লাবের মোখছেদুল কামাল।

রিটার্নিং অফিসাররা ব্যস্ত থাকায় আজ কোনো ব্রিফ দেননি। তবে কয়েকজন প্রার্থী মুখোমুখি হয়েছেন সংবাদমাধ্যমের। এদের মধ্যে ক্লাব ক্যাটাগরির পরিচালক প্রার্থী শানিয়ান তানিম নাভিন সংবাদমাধ্যমে বলেন, ‘নির্বাচনের আর মাত্র তিনদিন বাকি। শুরু থেকেই আমরা নির্বাচনে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। তামিমরাও ছিলেন, কিন্তু এখন নেই। ওরা থাকলে নির্বাচনটা আরও অংশগ্রহণমূলক হতো। কেন নেই সেটা তাদের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। বোর্ডে তামিমের থাকা উচিত ছিল। আমি অনেকবার বোঝানোর চেষ্টা করেছি। তবে শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত তারই।’

অন্যদিকে লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জের সংগঠক মোহাম্মদ লুৎফর রহমান বাদল জানান, রাজনৈতিক কারণে দীর্ঘদিন দেশ থেকে বাইরে থাকলেও ক্রিকেটের সঙ্গে সবসময় যুক্ত ছিলেন। এবার সুযোগ পেয়েছেন বলেই প্রার্থী হয়েছেন। তার কথায়, ‘নির্বাচনের স্বাধীনতা আমি উপভোগ করছি। তামিম-ফাহিমরা থাকলে ভালো হতো, এতে অংশগ্রহণ আরও বাড়ত। কিন্তু কোনো চাপ আমি দেখিনি। বোর্ড পরিচালনা পর্ষদের মেয়াদ শেষ হচ্ছে, তাই নির্বাচন তো হবেই। সবকিছুর একটা সময় আছে, সেই সময়ের ভেতরে করতে হয়। আমার বিশ্বাস নির্বাচন ঠিক নির্বাচন হিসেবেই হবে।’

ক্লাব সংগঠকদের কণ্ঠে একটা আক্ষেপ ছিল—তামিমরা না থাকায় নির্বাচনের আমেজ কিছুটা ফিকে হয়ে গেছে। যদিও কেউ কেউ বলছিলেন, একপক্ষ সরে যাওয়ায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা সহজ হয়ে গেছে, তবু তামিমদের উপস্থিতিতেই নির্বাচনের মর্যাদা আরও বাড়ত।

বিসিবির সঙ্গে কথা বলতে আসছে আইসিসির প্রতিনিধি দল, হতে পারে সমাধান

বিপিএলে সেরা বোলিংটা আজই করলেন শরীফুল

বিশ্বকাপের আগে বড় ধাক্কা খেল আফগানিস্তান

রংপুরের অধিনায়কত্ব লিটনের কাছে কোনো ‘বোঝা’ নয়

বিপিএলের সূচি পরিবর্তনে ধকল যাবে ক্রিকেটারদের ওপর দিয়েই

ভারতকে হারালে সবচেয়ে বেশি খুশি হয় বাংলাদেশ, বলছেন মিরাজ

‘অপরিচিত নম্বর থেকে ক্রিকেটারদের হুমকি-ধমকি দেওয়া হচ্ছে’

যখন বিয়ে করেছিলাম, সে রকম চাপ মনে হয়েছে: বিপিএল ইস্যুতে বিসিবি পরিচালক

প্রশ্নটা কেন তামিমকে করেন না, মিঠুনের জিজ্ঞাসা

টালমাটাল অবস্থায় দেশের ক্রিকেট