বড় লক্ষ্য বাংলাদেশ ‘এ’ দল দিতে পারেনি মেলবোর্ন স্টারস একাডেমিকে। টপ এন্ড টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টে জয়ের জন্য স্বাগতিক দলের লক্ষ্য ছিল ১৫৭। ৩ উইকেট ও ৪ বল হাতে রেখেই সেই লক্ষ্যে পৌঁছে ৩ উইকেটে জিতেছে মেলবোর্ন স্টারস একাডেমি।
এই হারে বাংলাদেশ ‘এ’ দলের সেমিফাইনালের সমীকরণ আরও জটিল হয়ে পড়ল। ১১ দলের এই প্রতিযোগিতায় ৫ ম্যাচ শেষে বাংলাদেশ দলের পয়েন্ট ৪। -০.৫১৩ নেট রানরেট নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের ৮ নম্বরে বাংলাদেশ। ৫ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে শিকাগো কিংসমেন।
লক্ষ্য তাড়ায় মেলবোর্ন স্টারস একাডেমিকে নেতৃত্ব দিয়েছেন জোনাথান মেরলো। ৫ নম্বরে উইকেটে এসে ইনিংস সর্বোচ্চ ৬১ রান করেছেন তিনি। তাঁর ৩৮ বলের ইনিংসটি আছে ৪টি চার ও ৩টি ছয়।
মেরলোর এই ব্যাটিং দৃঢ়তার আগে ব্যাটিং বিপর্যয়েই পড়েছিল মেলবোর্ন স্টারস। ১২তম ওভারে ৮১ রান তুলতেই হারিয়ে ফেলেছিল ৫ উইকেট। কিন্তু এরপর ষষ্ঠ উইকেটে ক্রিস হোকে নিয়ে মেরলোর ৬৫ রানের জুটি। আর তাতেই জয়ের কক্ষপথে থেকেছে মেলবোর্ন স্টারস একাডেমি। হাসান মাহমুদ ও রাকিবুল হাসান নিয়েছেন দুটি করে উইকেট।
এর আগে প্রথমে ব্যাট করে বাংলাদেশ ‘এ’ দল ৮ উইকেটে ১৫৬ রান তোলে। মেলবোর্ন স্টারস একাডেমির বিপক্ষে শুরুটা ভালো হয়নি সফরকারী দলের। দলীয় ২৭ রানে ব্যক্তিগত ১৩ রান করে বিদায় নেন ওপেনার জিশান আলম। কিছু সময় পর তাঁকে অনুসরণ করেন নাঈম শেখ। আউট হওয়ার আগে ১৯ বলে ২১ রান করেন নাঈম। অষ্টম ওভারে নাঈমের বিদায়ের পরের বলেই আউট হয়ে যান মাত্রই উইকেটে আসা আফিফ হোসেন (০)।
তবে ওয়ান ডাউনে উইকেটে আসা সাইফ হাসান এক প্রান্ত আগলে রেখে খেলতে থাকেন। চতুর্থ উইকেট জুটিতে নুরুল হাসান সোহানকে নিয়ে ৬৩ রানের জুটি গড়েন সাইফ। ২৭ বলে ৩৩ রান করে সোহান বিদায় নিলে ভাঙে এই জুটি। এরপর সাইফ আউট হওয়ার আগে ইনিংস সর্বোচ্চ ৪৫ রান করেন। তাঁর ৪৫ বলের ইনিংসটিতে আছে ২টি চার ও ১টি ছয়। সাইফ ও সোহানের বাইরে ২৯ রান আসে ইয়াসির আলী চৌধুরীর ব্যাটে।
বল হাতে সবচেয়ে সফল, হামিশ ম্যাকেঞ্জি; ২১ রানে নিয়েছেন ৩ উইকেট।