২০১৬ সালে ক্রিকেটার ক্যাটাগরিতে জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছিলেন হাবিবুল বাশার সুমন। তবে পুরস্কার পেতে পেতে ছয় বছর কেটে গেছে। অবশেষে আগামীকাল এই সম্মাননা গ্রহণ করতে যাচ্ছেন বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট বিজয়ী অধিনায়ক।
পুরস্কার গ্রহণের সময়কালটা দীর্ঘ হলেও এমন সম্মাননা পাওয়ায় নিজেকে ভাগ্যবান মনে করেন সুমন। তবে কোভিড প্রটোকল থাকায় প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে পুরস্কার না পাওয়ায় আফসোস পোড়াচ্ছে জাতীয় দলের সাবেক এই অধিনায়ককে। তার পরও জীবদ্দশায় পুরস্কার পাচ্ছেন এই ভেবেই তৃপ্ত তিনি।
আজ বিকেএসপিতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বিসিবি একাদশের খেলা দেখতে এসে সুমন বলেন, ‘এটা আনন্দের এবং আমি মনে করি আমি খুব ভাগ্যবান যে এই সম্মাননাটা পাচ্ছি। নিজেকে খুব ভাগ্যবান মনে হচ্ছে, সেই জায়গা থেকে অনেক সম্মানিত বোধ করছি। যেকোনো খেলোয়াড়ের জন্যই এটা সম্মানের।’
২০১৬ সালে ক্রীড়া ক্ষেত্রে অবদানের জাতীয় স্বীকৃতি সরাসরি তুলে দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তবে এবার করোনার সতর্কতায় ভার্চুয়ালি অংশ নেবেন তিনি। এতে কিছুটা আফসোস থাকলেও আট বছরের সব পুরস্কার একসঙ্গে হওয়ায় প্রধানমন্ত্রীর আসাটা কঠিন বলেও মনে করেন সুমন। তিনি বলেছেন, ‘একটু তো আফসোস থাকবে, তবে যেহেতু একসঙ্গে আট বছরের পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে, আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর জন্য একটু...। কিন্তু আমি পুরস্কারটা পাচ্ছি, ভার্চুয়ালি হলেও প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠান থেকে পাচ্ছি, সে জায়গা থেকে ভাগ্যবান।’
সুমন আরও বলেন, ‘ক্রীড়াবিদদের জন্য অবশ্যই স্বস্তিদায়ক হবে এটা। ক্রীড়াবিদ সবারই স্বপ্ন থাকে। এবার যেহেতু আট বছর পর হচ্ছে, কেউ কেউ হয়তো সরাসরি নিতে পারছে না। তবু এটা অনেক সম্মানের।’
উল্লেখ্য, এই আট বছরে চারজন ক্রিকেটার এই সম্মাননার জন্য মনোনীত হয়েছেন। তাঁরা হলেন দিপু রায় চৌধুরী (২০১৯), হাবিবুল বাশার সুমন (২০১৬), খালেদ মাহমুদ সুজন (২০১৩) এবং মোজাফ্ফর হোসেন পল্টু (২০১৩)।