ইনিংস জয়ের পূর্বাভাস গতকাল তৃতীয় দিনেই পাচ্ছিল পূর্বাঞ্চল। শেষ পর্যন্ত তা-ই হলো। সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগের (বিসিএল) অপর ম্যাচে মধ্যাঞ্চলকে ইনিংস ও ৫৩ রানে হারিয়েছে মুশফিকুর রহিম-অমিত হাসানদের পূর্বাঞ্চল।
ইনিংস হারের লজ্জা এড়াতে আজ চতুর্থ দিনে কমপক্ষে ৭৪ রান করতে হতো মধ্যাঞ্চলকে। হাতে ছিল ৩ উইকেট। তবে বাঁচতে পারেনি মধ্যাঞ্চল। ২১ রানে শেষ ৩ উইকেট হারিয়ে ১০৩ রানে গুটিয়ে যায় আশিকুর রহমান শিবলি-মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতদের মধ্যাঞ্চল। তাতেই ইনিংস ব্যবধানে জয় পেয়ে যান মুশফিক-অমিতরা। ১৬২ রানের ইনিংস খেলে ম্যাচসেরা হয়েছেন অমিত।
১৫৬ রানে পিছিয়ে থেকে গতকাল দ্বিতীয় ইনিংসের খেলা শুরু করে মধ্যাঞ্চল। তৃতীয় দিন শেষে তাদের স্কোর ছিল ৭ উইকেটে ৮২ রান। মধ্যাঞ্চল আজ ৭৪ রান যোগ করলে ন্যুনতম এক রানের জন্য ব্যাটিংয়ে পাঠাতে পারত পূর্বাঞ্চলকে। কিন্তু ব্যাটারদের ব্যর্থতায় দ্বিতীয় ইনিংসে ২৮ ওভারে ১০৩ রানে গুটিয়ে যায় মধ্যাঞ্চল। ইনিংস সর্বোচ্চ ২২ রান করেন সৈকত। পূর্বাঞ্চলের ইবাদত হোসেন চৌধুরী নিয়েছেন ৪ উইকেট।
টস হেরে আগে ব্যাটিং পেয়ে মধ্যাঞ্চল তাদের প্রথম ইনিংসে ৯১.৪ ওভারে ৩০৭ রানে গুটিয়ে গেছে। শিবলি ও আবু হায়দার রনি দুজনেই সেঞ্চুরির আভাস দিয়েছিলেন। তবে শিবলি ও রনি ৮৬ ও ৯০ রান করে আউট হয়েছেন। পূর্বাঞ্চলের ইবাদত প্রথম ইনিংসেও নিয়েছেন ৪ উইকেট।
পূর্বাঞ্চল এক ইনিংস ব্যাটিং করে ১১৬ ওভারে ৪৬৩ রানে গুটিয়ে গেছে। ইনিংস সর্বোচ্চ ১৬২ রান করেন অমিত। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৮৩ রান করেন মুশফিক। মধ্যাঞ্চলের রাকিবুল হাসান নিয়েছেন ৫ উইকেট।
এর আগে গতকাল তিন দিনেই জয় পেয়েছে উত্তরাঞ্চল। দক্ষিণাঞ্চলের দেওয়া ৬১ রানের লক্ষ্য তাড়া করে ৫৮ বলে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় আকবর আলীর নেতৃত্বাধীন উত্তরাঞ্চল। ৬ উইকেট নিয়ে উত্তরাঞ্চলের পেসার রবিউল হক হয়েছেন ম্যাচসেরা। যার মধ্যে দ্বিতীয় ইনিংসে নিয়েছেন ৫ উইকেট।