এবারের ঈদটা বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের জন্য একেবারেই ভিন্ন এক অভিজ্ঞতা। বিদেশে আগে ঈদ করার অভিজ্ঞতা থাকলেও করোনাকালের ‘নিউ নরমাল’ সময়ে বাংলাদেশ দলের ঈদ উদযাপন এবারই প্রথম। বায়ো–বাবলের মাঝে থেকেই ঈদ পালন করলেন সাকিব–মাহমুদউল্লাহরা। আজ হারারের ক্রেস্টা লজের পেছনের লনে স্থানীয় সময় সকাল ৯টায় মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের নেতৃত্বে ঈদের নামাজ আদায় করে বাংলাদেশ দল। এরপর তাঁরা নিজেদের মতো আড্ডা দিয়ে, ছবি তুলে কিছু সময় কাটান।
দলের অনেক সিনিয়র খেলোয়াড় আগেও দেশের বাইরে ঈদ করেছেন। তবে দলের নবীন সদস্যরা এ অভিজ্ঞতার সঙ্গে ততটা পরিচিত নন। বাংলাদেশ দলের হারারেতে ঈদ করার অভিজ্ঞতা নিয়ে টিম লিডার আহমদ সাজ্জাদুল আলম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘দেশের বাইরে খেলতে যাওয়া মূলত একধরনের জাতীয় দায়িত্ব। তাই এই সফরের মাঝ পথে উৎসব বা বিভিন্ন উপলক্ষ থাকে, সেসবে মনোযোগ রাখা একটু কঠিনই। আমাদের কাছে নিজেদের মিশনটা সফলভাবে শেষ করাই হচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ। দলের সিনিয়র খেলোয়াড়েরা অবশ্য এসবে অভ্যস্ত, তবে তরুণ খেলোয়াড়দের একটু মন খারাপ কিংবা বাড়ির জন্য মন টানতে পারে। সব মিলিয়ে আমরা যেহেতু একটা কাজে এসেছি, কাজটা ঠিকঠাক সম্পন্ন করাটাই গুরুত্বপূর্ণ। সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা।’
আগামীকাল খেলা থাকায় অবশ্য ঈদের দিনে ঐচ্ছিক অনুশীলন আছে খেলোয়াড়দের। তবে ওয়ানডে মিশন শেষ করে আজ চোটাক্রান্ত তামিম ইকবালের সঙ্গে দেশে ফিরছেন টি-টোয়েন্টি দলে না থাকা মেহেদী হাসান মিরাজ।
তামিমের হাঁটুর চোট নিয়ে এক বিবৃতিতে বিসিবির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ‘গত কয়েক সপ্তাহ ধরে তামিম হাঁটুর চোটে ভুগছেন। তিনি ওয়ানডে সিরিজে খেললেও, একমাত্র টেস্টটি মিস করেছেন। তবে এর মাঝে চোট না সারায় তামিমকে আগামী ছয় থেকে আট সপ্তাহ পর্যন্ত ক্রিকেট থেকে বিশ্রামে থাকার পরামর্শ দিয়েছে বিসিবির চিকিৎসক দল।’