পাকিস্তানের শুরু আর শেষটা হলো একই রকমের। মাঝখানে চললো ইফতিখার আহমেদ ও শাদাব খানের ঝড়। দুজনের ফিফটিতে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৮৫ রানের সংগ্রহ পেয়েছে পাকিস্তান।
কাগজে-কলমে সেমিফাইনালে যাওয়ার আশা এখনো বেঁচে আছে বাবর আজমদের। তার জন্য দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে জয় ছাড়াও সুপার টুয়েলভে নিজেজের শেষ ম্যাচে বাংলাদেশকে হারাতে হবে তাদের। তবে আজ প্রোটিয়ারা জিতলেই ৭ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ-২ থেকে সবার আগে শেষ চারে জায়গা করে নেবে। সেই সঙ্গে বিদায়ঘণ্টা বাজবে পাকিস্তানের।
এমন বাঁচা-মরার সমীকরণের সামনে ফের ব্যর্থ পাকিস্তানের ওপেনিং জুটি। বাবর-রিজওয়ান আজকেও ছিলেন নিজেদের ছায়া হয়ে। সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে টসে জিতে ব্যাটিংয়ে নামা পাকিস্তান শুরুতে প্রোটিয়া পেসারদের সামনে হাঁসফাঁস করেছে। তবে এবারও তাদের উদ্ধার করল মিডল-অর্ডার।
৪৩ রানে ৪ উইকেট হারানো পাকিস্তানকে টেনে তুলেন মোহাম্মদ নওয়াজ ও ইফতিখার। দুজনে গড়েন ৫২ রানের জুটি। এরপর ইফতিখার-শাদাব মিলে ৩৬ বলে ৮২ রানের জুটি গড়ে পাকিস্তানকে এনে দেন বড় সংগ্রহ। ইফতিখার ৩৫ বলে ৫১ এবং শাদাব করেন ২২ বলে ৫২ রান। শেষদিকে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হলেও ম্যাচ চালিয়ে গেছেন আম্পায়াররা।
সেই বৃষ্টির মধ্যে একদিকে ছিল দ. আফ্রিকান ফিল্ডারদের উৎসব আর পাকিস্তানিদের উইকেট বিসর্জন। এনরিখ নরকিয়া পরপর দুই বলে ফেরান শাদাব ও ওয়াসিম জুনিয়ররকে। পরের ম্যাচে প্রথম বলে উইকেট পেলে অনন্য এক হ্যাটট্রিক হয়ে যাবে প্রোটিয়া পেসারের।