টেস্ট অভিষেকটা রাঙাতে পারেননি ত্রিস্তান স্টাবস। বছরের শুরুতে ভারতের বিপক্ষে অভিষেক টেস্টে রান করেছিলেন ৩ ও ১। আদি সংস্করণে দুর্দান্ত শুরু করতে না পারার আক্ষেপটা যেন মেটাচ্ছেন দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম বিভাগের ক্রিকেটে।
প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো ট্রিপল সেঞ্চুরি করেছেন স্টাবস। এতে যেন প্রোটিয়াদের ‘একাদশ’ও পূর্ণ হলো। নিজের প্রথম হলেও তাঁর সেঞ্চুরিটি প্রোটিয়াদের ১১ তম। ১৯৯১ সালে বর্ণবাদের নিষেধাজ্ঞা থেকে মুক্তি পাওয়ার পর দক্ষিণ আফ্রিকার লিগে এটি অষ্টম ট্রিপল সেঞ্চুরি। কোয়াজুলু-নাটাল ইনল্যান্ডের বিপক্ষে ট্রিপল সেঞ্চুরিটি করেন ২৩ বছর বয়সী উদীয়মান ব্যাটার।
প্রথম দিন ডাবল সেঞ্চুরি করে ২০৮ রানে অপরাজিত ছিলেন স্টাবস। আজ ব্যাটিংয়ে নেমে পেয়ে যান কাঙ্ক্ষিত ট্রিপল সেঞ্চুরি। ৩০২ রানে আজও অপরাজিত তিনি। ৮ ঘণ্টা ১৯ মিনিট ব্যাটিং করে ৩৭২ বলের ইনিংসটি সাজিয়েছেন ৩৭ চার ও ৬ ছক্কায়। তাঁর দুর্দান্ত ইনিংস ও ম্যাথিউ ব্রিটজকে ১৮৮ রানের ওপর ভর করে ৩ উইকেটে ৫১৭ রানের সংগ্রহ পেয়েছে ওয়ারিয়র্স।
ট্রিপল সেঞ্চুরিতে রান সংগ্রাহকের তালিকাতেও শীর্ষে উঠে এসেছেন স্টাবস। ৫ ম্যাচে ৫৬২ রানে এখন চূড়ায় তিনি। এর আগেও একটা সেঞ্চুরি করেছেন তিনি। অন্যদিকে এত দিনে তাঁর নামের পাশে অবশ্য টেস্ট সংখ্যা ৩ হতে পারত। কিন্তু মারকুটে ব্যাটার হিসেবে পরিচিত স্টাবস নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দুই টেস্টের সিরিজ না খেলে এসএ ২০ ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগকে বেছে নেন। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩০১ রান করে টানা দ্বিতীয়বার সানরাইজার্স ইস্টার্ন কেপকে চ্যাম্পিয়ন করেছেন তিনি। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ফিরে রানের ক্ষুধা যেন আরও বাড়িয়ে দিয়েছেন স্টাবস।