হোম > খেলা > ক্রিকেট

রোহিত-কোহলি কেন এত নিচে, ব্যাখ্যা ভারত অধিনায়কের

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে গতকাল ৫ উইকেটের জয়ের ম্যাচে অন্যরকম এক দৃশ্য দেখা গেছে ভারতের ব্যাটিং লাইনআপে। একাদশে থাকার পরও রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলির মতো অভিজ্ঞরা ব্যাটিংয়ে নামেননি শুরুতে। জয়ের শেষ মুহূর্তে রোহিত নামলেও ব্যাটিংয়ে দেখা যায়নি কোহলিকে।

অথচ দুজনেই খেলেন টপ অর্ডারে। গতকাল তাই ভারত ম্যাচ জেতার পরও এমন ব্যাটিং অর্ডার নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সামনে যখন এশিয়া কাপ ও বিশ্বকাপের মতো বড় দুটি টুর্নামেন্ট আছে তখন এই ব্যাটিং অর্ডার কেন অনুসরণ করছে ভারত—জয়ের পর তার ব্যাখ্যা দিয়েছেন রোহিত।

প্রথম ওয়ানডের একাদশে সুযোগ পাওয়া ব্যাটারদের সময় দিতে চেয়েছে ভারত। বিশেষ করে যারা টেস্ট দলের অংশ ছিলেন না তাদের। আর প্রতিপক্ষকে কম রানে আটকিয়ে দেওয়ার কারণে ব্যাটিং লাইনআপে এই পরিবর্তন। এ নিয়ে রোহিত বলেছেন, ‘ওয়ানডেতে যারা সুযোগ পেয়েছে তাদের ব্যাটিংয়ে সময় দিতে চেয়েছি আমরা। যখনই সুযোগ আসবে তখনই চেষ্টা করব এমনটা করতে। প্রতিপক্ষকে ১১৫ রানের মধ্যে আটকাতে পেরে আমরা চেষ্টা করেছি তাদের সময় দিতে। তবে মনে করি না, এবারের মতো তারা সামনে খুব বেশি সুযোগ পাবে।’

১১৫ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নেমে ভারতের একে একে চারজন ব্যাটার আউট হলেও রোহিত–কোহলিরা নামেননি। পঞ্চম উইকেটে রবীন্দ্র জাদেজাকে সঙ্গ দিতে ব্যাটিংয়ে আসেন শার্দূল ঠাকুর। অর্থাৎ, দুজন স্বীকৃত ব্যাটার থাকার পরও ব্যাটিংয়ে নামলেন শার্দুল, যার মূল কাজ বোলিংয়ে। তিনি অবশ্য দ্রুত আউট হলে পরে অধিনায়ক রোহিত নামেন ব্যাটিংয়ে। ভারত জয়ের বন্দরে পৌঁছে যাওয়ায় পরে ব্যাটিংয়ে নামার প্রয়োজন পড়েনি কোহলির। গতকালকের আগে সর্বশেষ ২০১১ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ৭ নম্বরে ব্যাটিং করেছিলেন রোহিত। সেদিন ৯ রান করে আউট হলেও গতকাল ১২ অপরাজিত থাকেন ভারতের অধিনায়ক।

বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ থেকে বাদ দিলে আইনি পথ দেখবে বিসিবি

বাংলাদেশের সমর্থনে আইসিসিকে চিঠি দিল পাকিস্তান

বিপিএল খেলতে ঢাকায় কেন উইলিয়ামসন

এগোলেন সুপ্তা, পেছালেন জ্যোতি

সবার আগে ফাইনালে বিসিবির দল

নিদাহাস ট্রফিতে শেষ বলে ভারতের ছক্কার স্মৃতি মনে পড়ল লিটনের

বৃষ্টিতে পরিত্যক্ত বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড ম্যাচ, এখন বাংলাদেশের সমীকরণ কী

কার ডাকে শেষ মুহূর্তে বিপিএল খেলতে এসেছেন ওকস

বাংলাদেশ-ভারতের রাজনৈতিক বৈরিতা নিয়ে লিটনের ‘নো অ্যানসার’

বিশ্বকাপের আগমুহূর্তে দুশ্চিন্তা বেড়েই চলেছে দক্ষিণ আফ্রিকার