ঢাকা: বড় দলের সঙ্গে টেস্টে বাংলাদেশের হার নিয়মিত দৃশ্য। টেস্টে ছোট দলের কাছেও কঠিন পরীক্ষা দিতে হয় তামিম–মুমিনুলদের। ক্রিকেটের অভিজাত অঙ্গনে ধুঁকতে থাকা বাংলাদেশ এখন ধারাবাহিক ভালো করার পথ খুঁজছে।
কাল ঢাকার একটি হাসপাতালে করোনার টিকা নিতে গিয়ে নাজমুল হাসান পাপন জানিয়েছেন, টেস্ট নিয়েই তিনি এখন বেশি ভাবছেন। বিসিবি সভাপতি বলেছেন, ‘২০১৮ সালে বলেছিলাম আমরা পাইপলাইন ঠিক করার দিকে মনোযোগ দিচ্ছি। এতে ভালো ফলও এসেছে। অনূর্ধ্ব–১৯ বিশ্বকাপ জিতেছি। এখন আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে টেস্টে ভালো করা।’
করোনা পরিস্থিতি খারাপ হওয়ায় বিসিবির সব পরিকল্পনা থমকে আছে। পাপন আশ্বস্ত করছেন, পরিস্থিতি ঠিক হলেই সব উদ্যোগ বাস্তবায়ন করবেন ‘করোনায় গত দেড়টা বছর আমরা কিছুই করতে পারিনি। পরিস্থিতি ভালো হলেই টেস্টে ভালো করতে আমরা যেসব পরিকল্পনা নিয়েছিলাম, সেগুলো বাস্তবায়নে উদ্যোগ নেব।’
নিউজিল্যান্ডের পর শ্রীলঙ্কায়ও বাংলাদেশ দলের তরুণ ক্রিকেটাররা ভালো করতে শুরু করেছেন। এটিই বেশ আশাবাদী করে তুলছে পাপনকে। তিনি বলেছেন, ‘নতুন ছেলেরা ভালো করেছে। শীর্ষ পাঁচ দলের মধ্যে থাকার যে লক্ষ্য আমাদের, সেটি থেকে তাই বেশি দূরে নেই আমরা।’
স্পিনিং উইকেট বানিয়ে ঘরের মাঠে টেস্টে ভালো করার একটা ‘ফর্মুলা’ বের করেছিল বিসিবি। এতে ফলও এসেছে। নিয়মিত জিম্বাবুয়েকে হারানো তো গিয়েছেই। অস্ট্রেলিয়া–ইংল্যান্ড বধও হয়েছে। সেই একই ফর্মুলায় নিজেদের পা হড়কানোর শিক্ষাও এর মধ্যে হয়ে গেছে।
দুই দশকের বেশি সময়ের পথচলায় বাংলাদেশ টেস্টে পায়ের তলার মাটি শক্ত করা দূরে থাক, এখনো দাঁড়াতেই যেন শেখেনি! শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে এই টেস্ট বাদ দিলে গত ২১ বছরে ১২১ টেস্ট খেলেছে। জয়ের দেখা পেয়েছে ১৪ ম্যাচে।