পুরিয়ে যাননি সেটি যেন আবারও মনে করিয়ে দিলেন ৩৭ বছর বয়সী নাঈম ইসলাম। সঙ্গে অলরাউন্ডার তানভীর হায়দারও দেখিয়েছেন দারুণ দক্ষতা। জাতীয় ক্রিকেট লিগে ঢাকার জয়ের আশায় গুড়ে বালি দিয়ে, রংপুরকে অসাধারণ ড্র এনে দিলেন তাঁরা দুজনে।
বিকেএসপির ৩ নম্বর মাঠে ৭৪ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমেছিল রংপুর। কিন্তু ৯ রানে দুই উইকেট হারিয়ে শুরুতেই বড়সড় ধাক্কা খায় তারা। আজ চতুর্থ দিন বাকি ৮ উইকেটে লিড নিয়ে ঢাকাকে পাল্টা ভালো লক্ষ্য ছুড়ে দেওয়া ছিল কঠিন ব্যাপার। রংপুর অবশ্য সেই ঝুঁকির পথে ৭ উইকেটে ১৬৭ রানে দিন শেষ করে ফেলেছে। ঢাকাকে দ্বিতীয় ইনিংসে আর ব্যাটিংয়ে নামার সুযোগই দেয়নি।
আগে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ পেয়ে প্রথম ইনিংসে ২৫৩ করেছিল রংপুর। ঢাকা প্রথম ইনিংসে করে ৩২৭ রান। ৭৪ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমেছিল রংপুর। নাজমুল ইসলাম অপু, শুভাগত হোম, মাহফুজুর রহমান রাব্বিদের ঘূর্ণি জাদুর সামনে ১০১ রানে ৫ উইকেটর হারায় তারা। কিন্তু খাদের কিনারায় দাঁড়িয়ে একপ্রান্ত আগলে লড়লেন নাঈম। ৪ নম্বরে নেমে খেলেছেন ২৪৬ বলে ৭৫ রানের কার্যকরী এক ইনিংস। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ ৩৩টি সেঞ্চুরি এই অভিজ্ঞ ব্যাটারের।
চেষ্টার সবটুকু করেছেন ঢাকার বোলাররাও। কিন্তু সাত নম্বরে নেমে তানভীর হায়দারের ১২৬ বলে ২১ ও রিশাদ হোসেনের ৫৮ বলে ১৯ রানে অপরাজিত ইনিংস সব চেষ্টা ব্যর্থ হয়ে যায়। ঢাকা টানা দ্বিতীয় রাউন্ডও করল ড্র। বিপরীতে রংপুর প্রথম রাউন্ড জয়ের পর দ্বিতীয় রাউন্ড শেষ করল সমতায়।
বরিশাল-খুলনার ম্যাচটিও ড্র হয়েছে। প্রথম ইনিংসে ৯ উইকেটে ৪০৮ রানে ঘোষণা করেছিল খুলনা। আজ আবদুল মজিদের (১৩৪) সেঞ্চুরিতে ৩ উইকেটে ২৮৭ রান করে বরিশাল প্রথম ইনিংস ঘোষণা দিতেই ম্যাচ ড্র হয়ে যায়। খুলনাকে দ্বিতীয় রাউন্ডেও সমতায় সন্তুষ্ট থাকতে হলো। বরিশাল প্রথম রাউন্ডে হারের পর দ্বিতীয় রাউন্ডে করল ড্র।