হোম > খেলা > ক্রিকেট

বাংলাদেশকে হারানো সম্ভব ছিল, মনে করেন আফগান অধিনায়ক 

আফগানিস্তানের বিপক্ষে দাপুটে জয়ে এশিয়া কাপের সুপার ফোর নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ। ব্যাটিং, বোলিং, ফিল্ডিং-তিন বিভাগেই লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে গতকাল নিজেদের সেরাটা দিয়েছেন নাজমুল হোসেন শান্ত, মেহেদী হাসান মিরাজরা। তবে সাকিব আল হাসানের দলকে হারানো সম্ভব ছিল বলে মনে করেন আফগান অধিনায়ক হাশমতউল্লাহ শাহিদী।

প্রথমে ব্যাটিং করে বাংলাদেশ করেছিল ৫ উইকেটে ৩৩৫ রান। ৩৩৫ রানের লক্ষ্যে নামা আফগানদের ৩৬ ওভার শেষে স্কোর ছিল ৩ উইকেটে ১৯৩ রান। উইকেটে তখন ৫০ রান করে অপরাজিত ছিলেন অধিনায়ক শাহিদী ও নাজিবুল্লাহ জাদরান ব্যাটিং করছিলেন ১৭ রানে। এখান থেকেই আফগানদের ইনিংসে ভাঙন শুরু হয়। ৫২ রানে শেষ ৭ উইকেট হারিয়ে ৪৪.৩ ওভারে ২৪৫ রানে অলআউট হয় শাহিদীর দল। দ্রুত উইকেট হারানোর কারণেই ম্যাচ হেরে গেছেন বলে মনে করছেন শাহিদী। ম্যাচ শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে শাহিদী বলেন, ‘আমি মনে করি, লক্ষ্য তাড়া তরা যেত। আউটফিল্ডে বল দ্রুত দৌড়াচ্ছিল, তবে আমরা উইকেট হারিয়ে ফেলেছি। তাদের বোলাররা শুরুতে দারুণ বোলিং করেছে এবং আমাদের রান রেট খুব কম ছিল। তাই আমরা জিততে পারিনি।’

প্রথমে ব্যাটিং নেওয়া বাংলাদেশের ৪০ ওভার শেষে স্কোর ছিল ২ উইকেটে ২৩১ রান। শেষ ১০ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ যোগ করেছে ১০৩ রান। বাংলাদেশের বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে খেই হারাতে থাকে আফগানিস্তান। আফগানদের পিচ্ছিল ফিল্ডিংয়ের সুযোগ নিয়ে সেঞ্চুরি করেছেন শান্ত, মিরাজ। আফগান বোলারদের মধ্যে রশিদ খান সর্বোচ্চ ৬৬ রান দিয়েছেন তবে কোনো উইকেট পাননি। আর ফজলহক ফারুকি ৬ ওভারে ৫৩ রান দিয়ে পাননি উইকেটের দেখা। তিন বিভাগেই উন্নতি করতে হবে বলে মনে করেন শাহিদী, ‘সব ডিপার্টমেন্টেই আমাদের উন্নতি করতে হবে। বোলিং আমাদের যথেষ্ট ভালো ছিল না। ফিল্ডিংও ভালো হয়নি।’

ক্রিকেটার হিসেবে অবশ্যই বিশ্বকাপ খেলতে চাই

বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ থেকে বাদ দিলে আইনি পথ দেখবে বিসিবি

বাংলাদেশের সমর্থনে আইসিসিকে চিঠি দিল পাকিস্তান

বিপিএল খেলতে ঢাকায় কেন উইলিয়ামসন

এগোলেন সুপ্তা, পেছালেন জ্যোতি

সবার আগে ফাইনালে বিসিবির দল

নিদাহাস ট্রফিতে শেষ বলে ভারতের ছক্কার স্মৃতি মনে পড়ল লিটনের

বৃষ্টিতে পরিত্যক্ত বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড ম্যাচ, এখন বাংলাদেশের সমীকরণ কী

কার ডাকে শেষ মুহূর্তে বিপিএল খেলতে এসেছেন ওকস

বাংলাদেশ-ভারতের রাজনৈতিক বৈরিতা নিয়ে লিটনের ‘নো অ্যানসার’