বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) অ্যাডহক কমিটির প্রধান তামিম ইকবালের নেতৃত্বাধীন পরিচালনা পর্ষদ গত পরশু এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছিল, বিসিবির নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করতে ঢাকায় আসছে আইসিসির প্রতিনিধিদল। নির্বাচন হবে ৭ জুন। কিন্তু এরই মধ্যে ঢাকায় এসে আইসিসির প্রতিনিধিদল সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে কথা বলে তথ্য নিয়েছে। বিসিবির নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করতে যে তারা আসেনি, তা বোঝাই যাচ্ছে।
বুলবুলরা আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিয়ে একটা ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তাঁরা মনে করেন, দুদিন আগে দেওয়া বিসিবির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিটি ছিল বিভ্রান্তিকর ও সম্পূর্ণ অবাস্তব। আজ যে দুই সদস্যের আইসিসির প্রতিনিধি দল বাংলাদেশে এসেছে, তারা সত্য অনুসন্ধানে এসেছে। ৭ জুনের বিসিবি নির্বাচন পর্যবেক্ষণ, তদারকি বা অনুমোদন দিতে আসেননি আইসিসির দুই প্রতিনিধি। গতকাল ঢাকায় এসে কালই তাঁরা কথা বলেছিলেন বিসিবির বর্তমান অ্যাডহক কমিটির সভাপতি তামিম ইকবাল ও সদস্য ফাহিম সিনহার সঙ্গে।
আজ ঢাকার এক হোটেলে এম. নাজমুল ইসলাম, আহসান ইকবাল চৌধুরী জামান, আসিফ আকবর, মোহাম্মদ হাসানুজ্জামান—আগের বোর্ডের এই চার পরিচালক সকাল ৯টা থেকে ১২টা পর্যন্ত ৩ ঘণ্টা ধরে কথা বলেছেন আইসিসির দুই প্রতিনিধি দক্ষিণ আফ্রিকার ড. মোসাজে ও ড. তাভেংওয়া মুকুলানির সঙ্গে। যাঁদের মধ্যে মোসাজে আইসিসি বোর্ড পরিচালক ও মুকুলানি জিম্বাবুয়ে ক্রিকেটের (জেডসি) চেয়ারম্যান। আজ আইসিসির প্রতিনিধি দল এসে তাঁদের কাছ থেকে কী তথ্য নিয়েছে, সেটি নিয়ে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছেন বুলবুলরা।
আগের বোর্ডের পরিচালকেরা আইসিসির কাছে দাবি জানিয়েছেন, তাঁদের অভিযোগ ও আইনি যুক্তিগুলো যথাযথ বিবেচনা করতে। অ্যাডহক কমিটির অধীনে অনুষ্ঠিত কোনো নির্বাচনকে স্বীকৃতি না দিতে। স্পষ্ট করে জানিয়ে দিতে হবে যে বাংলাদেশে অবস্থানরত আইসিসি প্রতিনিধিদল নির্বাচন পর্যবেক্ষক নয়।
বুলবুল-শাকলানের স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, তাঁরা বাংলাদেশের আদালত, আইসিসি এবং অন্যান্য উপযুক্ত ফোরামে আইনি লড়াই চালিয়ে যাবেন যতক্ষণ না তাঁদের দাবি অনুযায়ী নির্বাচিত বোর্ডের ক্ষমতা পুনর্বহাল হয়। গত ৭ এপ্রিল বুলবুলের নেতৃত্বাধীন পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) অ্যাডহক কমিটি গঠন করে। তামিমের এই ১১ সদস্যের অ্যাডহক কমিটিতে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বই বেশি। এমনকি নির্বাচনের অনেক আগেই অনেকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পরিচালক নির্বাচিত হয়েছেন।