শেষ টি-টোয়েন্টিতে আক্ষরিক অর্থেই নিউজিল্যান্ডের কাছে পাত্তা পায়নি বাংলাদেশ। লিটন দাসের দলকে বৃষ্টি আইনে ৬ উইকেটে হারিয়ে ১-১ সমতায় সিরিজ শেষ করেছে ব্ল্যাক ক্যাপসরা। তাতে সিরিজ হাতছাড়া হওয়ার আক্ষেপে পুড়তে হয়েছে স্বাগতিক দর্শকদের। যেটা ছুঁয়ে গেছে নিউজিল্যান্ডের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক নিক কেলিকে। ম্যাচ শেষে বাংলাদেশি দর্শকদের কাছে রীতিমতো দুঃখপ্রকাশ করেছেন তিনি।
কেলি বলেন, ‘এখানকার (বাংলাদেশের) পরিবেশ অসাধারণ ছিল। দর্শকরা নিয়মিত মাঠে এসেছে, চিৎকার করেছে। ক্রিকেটের প্রতি তাদের আবেগ অনেক বেশি। এমনকি বৃষ্টি শেষেও মাঠে দর্শক এসেছে। বাংলাদেশের মানুষজন দারুণ। আমরা খুব ভালো সময় পার করেছি। প্রতি ম্যাচেই গ্যালারি প্রায় পরিপূর্ণ ছিল। তাদের (বাংলাদেশি দর্শক) আনন্দ ব্যাঘাত ঘটানোয় আমরা দুঃখিত। আমরা ম্যাচটা জিতেছি। তারা ক্রিকেটকে ভালোবাসে। এদিক থেকে বলব যে, তাদের আনন্দ দিতে পেরেছি।’
বাংলাদেশ দলের প্রশংসা করে কেলি বলেন, ‘বাংলাদেশের দুটি বোলিং আক্রমণ ভিন্ন ছিল। উভয় দলই দারুণ। দুই সিরিজে তারা ভিন্ন ধাঁচের বোলার খেলিয়েছে। একটি সিরিজে একটি বোলিং ইউনিটের বিপক্ষে খেলে অভ্যস্ত হয়ে তিন ম্যাচ পর পুরো বোলিং আক্রমণ পরিবর্তন হলে কাজটা কঠিন হয়ে যায়। এখানে বাড়তি অভিজ্ঞতা হয়েছে আমাদের। তবে সবাই বেশ ভালো বোলার এবং তারা নিজেদের ক্লাস দেখিয়েছে।’
প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ৬ উইকেটের জয় তুলে নিয়েছিল বাংলাদেশ। বৃষ্টিতে দ্বিতীয় ম্যাচ ভেস্তে যায়। শেষ ম্যাচ পরিত্যক্ত না হলেও পুরো ২০ ওভার খেলা হয়নি। পুনঃনির্ধারিত ১৫ ওভারে ১০২ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। রান তাড়ায় ২০ বল হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত করে নিউজিল্যান্ড। নিজেদের জয়ের জন্য বৃষ্টি উপকারে এসেছে বলে মনে করছেন কেলি।
কেলি বলেন, ‘অনেক জরুরি ছিল (বৃষ্টি আসা)। টসের আগে আমরা কথা বলেছিলাম, বৃষ্টির আগে ভেবেছিলাম প্রথমে ব্যাট করব, পরে ভাবলাম না আগে বোলিং করা দরকার। বৃষ্টি পরে আসায় এই ব্যাপারটা কাজে লেগেছে, আমাদের সাহায্য করেছে। মাঠে নামার পর ১৫ ওভারে ম্যাচ চলে আসলে কাজটা আসলে বেশ কঠিন হয়ে যায়। শুরু থেকেই ১৫ ওভারের ম্যাচ জানলে হয়তো আগে থেকেই কিছুটা চড়াও হয়ে ব্যাট চালাতেন। এই কারণেই টসের সিদ্ধান্তটা এবং সেটি আমাদের পক্ষেই এসেছে।’