লিগ পর্বে জাতীয় দলের আদলে গড়া লিটন দাসের ধূমকেতু একাদশকে হারিয়ে দিয়েছিল জাতীয় দলের আশপাশে থাকা ক্রিকেটারদের নিয়ে গড়া নাজমুল হোসেন শান্তর দুর্বার একাদশ। আজ অদম্য বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি কাপের ফাইনালে দারুণ প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলেছিল দুর্বার। কিন্তু এবার শেষ হাসি হেসেছে লিটনের দল। ৭ রানে জিতেছে ধূমকেতু একাদশ।
আজ অবশ্য চ্যাম্পিয়ন হওয়ার মতোই খেলেছে লিটনের দল। আগের ম্যাচগুলোর কোনোটিতে দু শর কাছাকাছি রান তুলতে না পারলেও এদিন ধূমকেতু আগে ব্যাট করে তোলে ২০৮ রান। বড় এই লক্ষ্য তাড়ায় এসে পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়েই ব্যাটিং করেছে দুর্বার। শেষ ওভারে জয়ের জন্য শান্তদের দরকার ছিল ১৬ রান। কিন্তু ৫ উইকেট হাতে থাকা দুর্বার মোস্তাফিজের ফাইনাল ওভারে তুলতে পারে মাত্র ৮ রান।
২০৯ রানের লক্ষ্য তাড়ায় এসে নিজেদের সেরা চেষ্টাটাই করেছে দুর্বার। যদিও প্রথম ওভারের পঞ্চম বলে তারা হারিয়ে ফেলে মেহেদী হাসান মিরাজকে। দলীয় ৩ রানের শুরু ধাক্কা খেলেও প্রথম পাঁচ ওভারে দুর্বার আর কোনো উইকেট না হারিয়েই তুলে ফেলে ৬১ রান। প্রথম পাঁচ ওভার শেষে ধূমকেতুর স্কোর ছিল বিনা উইকেটে ৫২। আর প্রথম ১০ ওভার শেষেও ধূমকেতুর চেয়ে রানে এগিয়ে ছিল দুর্বার। ১০ ওভার শেষে দুর্বারের রান ছিল বেশ। প্রথম ১০ ওভারে যেখানে ধূমকেতুর স্কোর ছিল ছিল ১০১/০, সেখানে দুর্বারের স্কোর ১০৫/৩। পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়েই দুর্বার ব্যাট করে গেছে। নুরুল হাসান সোহান ৩৫ বলে ৫৪ এবং আফিফ হোসেন ধ্রুব ৩৬ বলে ৬০ রান করে অপরাজিত থাকলেও শেষ ওভারে দুর্বার ১৬ বলের সমীকরণ মেলাতে পারেনি। ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ২০১ রানে থেমে যায় তাদের ইনিংস।
এর আগে টসে হেরে আগে ব্যাট করে ৩ উইকেটে ২০৮ রান তোলে ধূমকেতু। দুই ওপেনার সাইফ হাসান ও তানজিদ হাসান তামিম বড় এই স্কোরের ভিত গড়ে দেন। ছিন্ন হওয়ার আগে ১৪৯ রানের জুটি গড়েন তাঁরা। ৪৪ বলে ৪টি চার ও ৭টি ছয়ে ৭৯ রান করে আউট হয়ে যান সাইফ। তাঁর ইনিংসটির স্ট্রাইকরেট ১৭৯.৫৫। সাইফ আউট হলেও ইনিংসের শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন তানজিদ। ৮টি চার ও ৪টি ছক্কায় ৫৪ বলে ৮৮* করেন তানজিদ। দলীয় স্কোর ২০০ পেরোতে অধিনায়ক লিটন দাসের ১৫ রানেরও অবদান। ২ ছক্কায় ৭ বলে এই ইনিংস খেলেন জাতীয় টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়ক।