হোম > খেলা > ক্রিকেট

খুলনাকে বিদায় করে টিকে রইল চট্টগ্রাম

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

মিরপুরের উইকেটে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ১৯০ রানের লক্ষ্যমাত্রা হিমালয়তুল্য বলা চলে। অবিশ্বাস্য চ্যালেঞ্জ জয়ের খুব কাছেই ছিল খুলনা টাইগার্স। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আস্কিং রেটের চাপের সঙ্গে পেরে উঠল না মুশফিকুর রহিমের দল। আজ মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে এলিমিনিটের ম্যাচে খুলনাকে ৭ রানে হারিয়ে ফাইনালের আশা বাঁচিয়ে রাখল তারুণ্যের দল চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। 

টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে নির্ধারিত ওভারে ৫ উইকেটে ১৮৯ রানের শক্তিশালী সংগ্রহ তোলে চট্টগ্রাম। জবাবে ৫ উইকেটে ১৮২ রান তুলতে সক্ষম হয় খুলনা। এই হারে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) মিশন শেষ হয়ে গেল মুশফিকের দলের। আর ফাইনালের পথে এক পা এগোলো চট্টগ্রাম। আগামী পরশু দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষ কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস কিংবা ফরচুন বরিশাল। 

বিগ স্কোরিং ম্যাচের নায়ক দুই ক্যারিবীয় বিধ্বংসী ব্যাটার চাদউইক ওয়ালটন ও আন্দ্রে ফ্লেচার। দুজনই সেঞ্চুরিবঞ্চিত হয়েছেন; আউট হননি একজনও। ৪৪ বলে সাতটি করে চার-ছক্কায় ৮৯ রানের বিস্ফোরক ইনিংস খেলেন ওয়ালটন। প্রত্যাশিতভাবেই ম্যাচ সেরার পুরস্কার পেয়েছেন তিনি। বিফলে গেছে তাঁর স্বদেশি ফ্লেচারের ৫৮ বলে ৮০ রানের ঝলমলে ইনিংসটা। ছয়টি চার ও চারটি ছক্কায় ইনিংস সাজান খুলনা ওপেনার। 

চট্টগ্রামের শুরুটা অবশ্য ভালো ছিল না। তৃতীয় ওভারে ১৬ রানের মধ্যে ২ উইকেট খুইয়ে চাপে পড়ে বন্দর নগরীর দলটি। পরে কেনার লুইস ও মেহেদী হাসান মিরাজকে নিয়ে দলকে প্রত্যাশিত ঠিকানায় নিয়ে যান চারে নামা ওয়ালটন। ৩২ বলে ৩৯ রানে ফেরেন কেনার লুইস। ৩০ বলে ৩৬ রান এসেছে মিরাজের ব্যাট থেকে। এ ছাড়া ৭ বলে ১০ রানে আউট হন শামীম পাটোয়ারি। 

রান তাড়ায় খুলনার শুরুটা ছিল আশা জাগানিয়া। ফ্লেচার তাণ্ডবে চতুর্থ ওভার শেষে ১ উইকেটে দলীয় সংগ্রহ ৪০ ছাড়ায় তারা। মেহেদী হাসান ও সৌম্য সরকারের দ্রুত প্রস্থানই মূলত চাপে ফেলে দেয় খুলনাকে। দুজন মিলে স্কোর বোর্ডে যোগ করেন ৩ রান। পরে অধিনায়ক মুশফিককে নিয়ে দলীয় শতক পার করেন ফ্লেচার। তৃতীয় জুটি ভাঙে মুশফিক ৪৩ রানে বিদায় নিলে। 

 ২৯ বলে এক চার ও চার ছক্কায় ৪৩ রান করেন খুলনা অধিনায়ক। শেষ দিকে ঝড় ওঠে ইয়াসির আলীর ব্যাটে। মুশির সমান ছক্কা হাঁকানো মিডল অর্ডার ব্যাটার একটি চার বেশি মেরেছেন। কিন্তু দুই অংক ছোঁয়া তিনজনের সব চেষ্টা কঠিনতর হয়ে যায় শেষের কঠিন সমীকরণে। শেষ তিন ওভারে ৪৩ রান দরকার ছিল খুলনার। ১৮ তম ওভারে মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরীকে বেধরক পিটিয়ে ১৯ রান নেয় চট্টগ্রাম। জমে ওঠে ম্যাচ। 

সমীকরণ নেমে আসে ১২ বলে ২৪ রানের। ১৯ তম ওভারের প্রথম বলেই ফের ছক্কা ইয়াসিরের। কিন্তু আশা জাগিয়েও শেষ পর্যন্ত ১১ বলে ১৮ রানের সমীকরণ মেলাতে পারল না খুলনা। শরিফুল ও মিরাজের দৃঢ়তায় স্বস্তির জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে খুলনা। চট্টগ্রামের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ ২ উইকেট নেন মিরাজ। খুলনার খালেদ আহমেদও তাঁর মতো চার ওভারে ৪০ রান দিয়ে সমান উইকেট পেয়েছেন। 

বাংলাদেশের বিকল্প হিসেবে স্কটল্যান্ডের সঙ্গে কথা হয়নি আইসিসির

রংপুরের বিপক্ষে আক্রমণাত্মক ক্রিকেটের বার্তা সিলেটের

উইজডেনের বর্ষসেরা টি-টোয়েন্টি একাদশে মোস্তাফিজ, আরও যাঁরা আছেন

বিসিবিকে ২১ জানুয়ারির ডেডলাইনের ব্যাপারে কিছু বলেনি আইসিসি

ভারত সিরিজের চেয়ে বিপিএলকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন নিউজিল্যান্ডের অলরাউন্ডার

বাংলাদেশ না খেললে বিশ্বকাপে স্কটল্যান্ড

বাংলাদেশকে ‘সমর্থন’ জানিয়ে বিশ্বকাপ প্রস্তুতি বন্ধ রাখল পাকিস্তান

আইপিএলের মতো ‘সিস্টেম’ এবার চালু হচ্ছে পিএসএলেও

বিশ্বকাপ দলের পাঁচ তারকা ছাড়াই পাকিস্তানে যাচ্ছে অস্ট্রেলিয়া

বিসিবির দুর্নীতিবিরোধী ইউনিটের কাজে ক্ষুব্ধ সাইফ