হোম > খেলা > ক্রিকেট

পাকিস্তানের একমাত্র লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশের সম্মান এনে দেওয়া, বলছেন পিসিবি চেয়ারম্যান

ক্রীড়া ডেস্ক    

সম্প্রতি বুলবুল এবং ইমরান খাজাকে নিয়ে বৈঠক করেছেন নাকভি। ফাইল ছবি

আইসিসির সঙ্গে টানাপোড়েনের সময় কেবল পাকিস্তান বাংলাদেশের পক্ষে কথা বলেছে এবং তাদের সঙ্গে হওয়া অন্যায়ের প্রতিবাদ জানিয়েছে। বাংলাদেশের সমর্থনে ভারত ম্যাচ বর্জনের ঘোষণাও দিয়েছিল দেশটির সরকার। মূলত বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ন্যায্য সম্মান ও মর্যাদা নিশ্চিত করাই ছিল পাকিস্তানের একমাত্র লক্ষ্য–এমনটাই বলছেন পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি।

গত ১ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান সরকার ঘোষণা দেয়, ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচটি খেলতে নামবে না তাদের দল। তবে পিসিবি, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) মধ্যে কয়েক দিন ধরে গোপন আলোচনা ও সমঝোতার পর সোমবার রাতে বর্জনের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করেছে পাকিস্তান সরকার।

আইসিসি এক বিবৃতিতে জানায়, ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচ খেলতে অস্বীকৃতি জানানোয় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না। পাশাপাশি বাংলাদেশকে ২০২৮ থেকে ২০৩১ সালের মধ্যে একটি আইসিসি ইভেন্ট আয়োজনের স্বত্ব দেওয়া হয়েছে। এই বিবৃতির পরই ভারত ম্যাচ বর্জনের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে পাকিস্তান।

পেশোয়ারে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে নাকভি বলেন, ‘বাংলাদেশ ছাড়া আমরা আলোচনায় আর কোনো শর্ত দিইনি। আমাদের একমাত্র লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশকে সম্মান এনে দেওয়া এবং তাদের সঙ্গে হওয়া অন্যায়ের প্রতিকার করা।

এর আগে আইসিসি বোর্ডের ভোটের মাধ্যমে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের জায়গায় স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগ দেখিয়ে বাংলাদেশ সরকার তাদের দলকে ভারতে খেলতে যাওয়ার অনুমতি দেয়নি। এই সিদ্ধান্তের পেছনে প্রভাব রেখেছিল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) আইপিএল থেকে মোস্তাফিজুর রহমানকে বাদ দেওয়ার ঘটনা।

আইসিসির ওই সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেন নাকভি। তিনি সংস্থাটির বিরুদ্ধে বাংলাদেশের সঙ্গে অবিচারের অভিযোগ তোলেন। নাকভির দাবি, সেই অবিচার সংশোধন করাই ছিল ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বর্জনের হুমকি দেওয়ার পেছনে পাকিস্তানের একমাত্র উদ্দেশ্য।

নাকভি আরও বলেন, ‘আপনারা দেখেছেন, বাংলাদেশ যা চেয়েছিল সবই মেনে নেওয়া হয়েছে। আমাদের কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থ ছিল না। তারা যা খুশি বলতে পারে, কিন্তু বাস্তবে আমাদের কাজ ছিল শুধু বাংলাদেশের জন্যই। পাকিস্তান সরকারও সেই কারণেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। যখন তাদের দাবিগুলো মেনে নেওয়া হলো এবং স্বীকার করা হলো যে তাদের সঙ্গে অন্যায় হয়েছে, তখনই আমরা ভারতের বিপক্ষে খেলতে রাজি হয়েছি।’

পাকিস্তানের ভারত ম্যাচ বর্জনের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার ঘোষণায় চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে সব ধরনের অনিশ্চয়তা কেটে গেছে। সেই সঙ্গে বিশাল অঙ্কের আর্থিক ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে আইসিসি।

মোদি স্টেডিয়ামে আজ যা ঘটেছে, তা আগে কখনোই হয়নি

৩ কোটি রুপিতে পিএসএলে নতুন দলে রিশাদ

ভারত শক্তিশালী দল, পাকিস্তানের জন্য কঠিন হবে

‘পাকিস্তানকে নিয়ে ঘৃণা ছড়াচ্ছেন ভারতের সাবেক ক্রিকেটাররা’

বিশ্বকাপের মাঝপথে হাসপাতালে ভারতীয় ব্যাটার, কারণ কী

প্রতিশোধ নিয়ে ভারতকে হুংকার দিয়ে রাখলেন পাকিস্তানি ওপেনার

আফগানিস্তান কি ঘুরে দাঁড়াতে পারবে

বিসিবিকে স্যালুট আসিফ নজরুলের

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে বিসিবি দিল ২ কোটি টাকা

ভারতকে জবাব দেওয়া বড় সাফল্য হিসেবে দেখছেন বিসিবি সভাপতি